নির্মিতি

বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য বাংলা ভাষা - নির্মিতি MCQ প্রশ্নোত্তর। চাকরির প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক।

মোট 391 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 27
1
ক্রিয়ামূল, ক্রিয়ারকাল ও পুরুষ ইত্যাদি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
ক ধ্বনিতত্ত্ব
খ বাক্যতত্ত্ব
গ পদভ্রম
ঘ রুপতত্ত্ব
সঠিক উত্তর: ঘ (রুপতত্ত্ব)
ব্যাখ্যা:
সব ভাষার ব্যাকরণেই প্রধানত নিম্নলিখিত চারটি বিষয়ের আলোচনা করা হয় – ১. ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology) ২. শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology) ৩. বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax) এবং ৪. অর্থতত্ত্ব (Semantics) এ ছাড়া অভিধানতত্ত্ব (Lexicography) ছন্দ ও অলংকার প্রভৃতিও ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়। ১. ধ্বনিতত্ত্ব ধ্বনি: মানুষের বাক প্রত্যঙ্গ অর্থাৎ কণ্ঠনালি, মুখবিবর, জিহ্বা, আল - জিহ্বা, কোমল তালু, শক্ত তালু, দাঁত, মাড়ি, চোয়াল, ঠোট ইত্যাদির সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজকে ‘ধ্বনি বলা হয়। বাক প্রত্যঙ্গজাত ধ্বনির সুক্ষ্মতম মৌলিক অংশ বা একককে (Unit) ধ্বনিমূল (Phoneme) বলা হয়। ধ্বনির উচ্চারণপ্রণালী, উচ্চারণের স্থান, বর্ণমালা, ধ্বনি, ধ্বনির প্রতীক বা বর্ণের বিন্যাস, সন্ধি[১৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি] , ধ্বনির পরিবর্তন ও লোপ, ণত্ব ও ষত্ব বিধান ইত্যাদি বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। ২. রূপতত্ত্বঃ এক বা একাধিক ধ্বনির অর্থবোধক সম্মিলনে শব্দ তৈরি হয়, শব্দের ক্ষুদ্রাংশকে বলা হয় রূপ (morpheme)। রূপ গঠন করে শব্দ। সেই জন্য শব্দতত্ত্বকে রূপতত্ত্ব (Morphology) বলা হয়। শব্দ, প্রত্যয়, পুরুষ, উপসর্গ, অনুসর্গ, কারক ও বিভক্তি, বচন, ক্রিয়ার কাল, ক্রিয়ামূল, দ্বিরুক্ত শব্দ, পদাশ্রিত নির্দেশক, সমাস, লিঙ্গ ইত্যাদি শব্দতত্ত্বে বা রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। ৩. বাক্যতত্ত্বঃ মানুষের বাক্প্রত্যঙ্গজাত ধ্বনি সমন্বয়ে গঠিত শব্দসহযোগে সৃষ্ট অর্থবোধক বাক প্রবাহের বিশেষ বিশেষ অংশকে বলা হয় বাক্য (Sentence)। বাক্যের সঠিক গঠনপ্রণালী, বাচ্য, উক্তি, বিভিন্ন উপাদানের সংযোজন ও বিয়োজন, এদের সার্থক ব্যবহারযোগ্যতা, বাক্যমধ্যে শব্দ বা পদের স্থান বা ক্ৰম, পদের রূপ পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয় বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়। বাক্যের মধ্যে কোন পদের পর কোন পদ বসে, কোন পদের স্থান কোথায় - বাক্যতত্ত্বে এসবের পূর্ণ বিশ্লেষণ থাকে। বাক্যতত্ত্বকে পদক্রমও বলা হয়। ৪. অর্থতত্ত্বঃ শব্দের অর্থবিচার, বাক্যের অর্থবিচার, অর্থের বিভিন্ন প্রকারভেদ, যেমন—মুখ্যার্থ, গৌণার্থ, বিপরীতার্থ ইত্যাদি অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
2
'হাসান বই পড়ছে'-
ক কোন
খ কালের
গ উদাহরন
ঘ ?
সঠিক উত্তর: ক (কোন)
ব্যাখ্যা:
'হাসান বই পড়ছে' - ঘটমান কালের উদাহরন। ঘটমান বর্তমান সম্পাদনা: যে ক্রিয়ার কাজ বর্তমানে ঘটছে বা চলছে, এখনো শেষ হয়ে যায়নি, তাকে ঘটমান বর্তমান কাল বলা হয়। যেমন: আমার ছোট ভাই লিখছে। হামিম এবং নাহিদ এখনো ফুটবল খেলছে। ঘটমান অতীত সম্পাদনা: যে ক্রিয়া অতীত কালে চলেছিল, তখনো শেষ হয়নি বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলা হয়। যেমন: রিতা ঘুমাচ্ছিল। তিনি মেয়েটির চেহারা কেমন জানতে চাইছিলেন। ঘটমান ভবিষ্যৎ সম্পাদনা: যে ক্রিয়ার কাজ ভবিষ্যতে শুরু হয়ে চলতে থাকবে, তার কালকে ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল বলা হয়। যেমন: সুমন হয়তো তখন দেখতে থাকবে। মনীষা দৌড়াতে থাকবে।
4
কোন বাক্যে ভবিষ্যৎকাল বুঝানো হয়েছে?
ক চেষ্টা কর বুঝতে পারবে
খ রোগ হলে ঔষধ খেতে হবে
গ কোনটিই নয়
ঘ সদা সত্য কথা বলতে হবে
সঠিক উত্তর: ক (চেষ্টা কর বুঝতে পারবে)
ব্যাখ্যা:
‘চেষ্টা কর বুঝতে পারবে বাক্যে ভবিষ্যৎ কাল বোঝানো হয়েছে। যে ক্রিয়া পরে বা ভবিষ্যতে ঘটবে এরূপ বোঝালে তার কালকে ভবিষ্যৎ কাল বলে। ‘সদা সত্য কথা বলতে হবে ও ‘রোগ হলে ওষুধ খেতে হবে এ দুটি বাক্যের ক্রিয়ায় চিরন্তন সত্য কথা বলা হয়েছে। তাই এ দুটি ক্রিয়ার কাল বর্তমান। সুতরাং সঠিক উত্তর (ক)।
7
কোন ক্ষেত্রে পরোক্ষ উক্তির ক্রিয়ার কাল অপরিবর্তিত থাকে?
ক চিরন্তন সত্য
খ আবেগ প্রকাশ
গ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা
ঘ অনুজ্ঞা ভাব
সঠিক উত্তর: ক (চিরন্তন সত্য)
ব্যাখ্যা:
পরোক্ষ উক্তির ক্রিয়ার কাল অপরিবর্তিত থাকে চিরন্তন সত্য বাক্য থাকলে। প্রত্যক্ষ উক্তি চিরন্তন সত্য হলে পরোক্ষ উক্তিতে ক্রিয়ার কালের কোন পরিবর্তন হয় না। যেমন: শিক্ষক বললেন, "পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে। " = শিক্ষক বললেন যে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
8
উৎপত্তির দিক থেকে ক্রিয়ার কাল কোন দুভাগে বিভক্ত ?
ক অকর্মক ও সকর্মক
খ ধাতু ও তদ্ধিত
গ মৌলিক ও কৃদন্ত
ঘ প্রত্যয়হীন ও প্রত্যায়ান্ত
সঠিক উত্তর: গ (মৌলিক ও কৃদন্ত)
ব্যাখ্যা:
ক্রিয়ার যে রূপের দ্বারা ক্রিয়া ঘটার বিভিন্ন সময় বোঝায়, সেই সময়কে ক্রিয়ার কাল বলা হয়। অথবা কার্য সম্পন্ন হওয়ার সময়কেই ক্রিয়ার কাল বা কাল বলে। ক্রিয়ার কাল তিন প্রকার। উৎপত্তির দিক থেকে ক্রিয়ার কাল দুই প্রকার - - মৌলিক ও কৃদন্ত।
9
'সন্ধ্যায় সূর্য অন্ত যায়' এটি কোন বর্তমান কালের ?
ক সাধারন বর্তমান
খ ঘটমান বর্তমান
গ পুরাঘটিত বর্তমান
ঘ নিত্যবৃত্ত বর্তমান
সঠিক উত্তর: ঘ (নিত্যবৃত্ত বর্তমান)
ব্যাখ্যা:
স্বাভাবিক বা অভ্যস্ততা বোঝালে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে। যেমন - ‘সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়’। (স্বাভাবিকতা)’ ‘আমি রোজ সকালে বেড়াতে যাই ( অভ্যস্ততা)। যে ক্রিযঅ বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে, তার কালকে সাধারণ বর্তমান কাল বলে। যেমন: সে ভাত খায়। আমি বাড়ি যাই। যে কাজ শেষ হয়নি, এখনও চলছে, সে কাজ বোঝাবার জন্য ঘটমান বর্তমান কাজ ব্যবহৃত হয়। যেমন - নীলা গান গাইছে। হাসান বই পড়ছে। ক্রিয়া পূর্বে শেষ হলেও তার ফল এখনও বর্তমান থাকলে, পুরাঘটিত বর্তমান কাল ব্যবহৃত হয়। যেমন: এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।
12
'তুমি যদি যেতে ভালো হত'-
ক বাক্যটিতে 'যেতে'
খ শব্দটি ক্রিয়ার
গ কোন কাল
ঘ ?
সঠিক উত্তর: ক (বাক্যটিতে 'যেতে')
ব্যাখ্যা:
অতীত কালে যে ক্রিয়া সাধারণ অভ্যস্ততা অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে। যেমন - কামনা প্রকাশে : আজ যদি সুমন আসত, কেমন মজা হতো। অসম্ভব কল্পনায় : সাতাশ যদি হতাে একশ সাতাশ। সম্ভাবনা প্রকাশে : তুমি যদি যেতে, তবে ভালোই হত।
13
‘গ্রামের নদী তীরে বেড়াতাম‘ -
ক কোন
খ কালের
গ ক্রিয়ারূপ
ঘ ?
সঠিক উত্তর: ক (কোন)
ব্যাখ্যা:
অতীত কালে যে ক্রীয়া সাধারণত অভ্যস্ততা অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত বলে। যেমন - গ্রামে নদী তীরে বেড়াতাম। কামনা, কল্পনা প্রকাশ্যে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল হয়।
15
কোনটি নিত্যবৃত্ত অতীতকালের উদাহরণ?
ক চোখের আলোয় দেখেছিলাম
খ গাইতাম গীত শুনি কোকিলের ধ্বনি
গ বেলা যে পড়ে এল
ঘ আকাশ জুড়ে মেঘ করেছে
সঠিক উত্তর: খ (গাইতাম গীত শুনি কোকিলের ধ্বনি)
ব্যাখ্যা:
নিত্যবৃত্ত অতীতকালের উদাহরণ - গাইতাম গীত শুনি কোকিলের ধ্বনি। যে ক্রিয়া অতীতে প্রায়ই ঘটত এমন বোঝায়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলা হয়। যেমন: বাবা প্রতিদিন বাজার করতেন। ছুটিতে প্রতিবছর গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যেতাম।
0 টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)