শব্দের গঠন
বাংলা শব্দের গঠন MCQ। তৎসম, তদ্ভব, দেশি, বিদেশি ও মিশ্র শব্দ নিয়ে বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর।
মোট 30 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 2কোনটি গ্রীক শব্দ নয় ?
ক
কেন্দ্র
খ
কোন
গ
কুশন
ঘ
দাম
সঠিক উত্তর:
গ (কুশন)
ব্যাখ্যা:
গ্রীক ভাষা হতে আগত শব্দঃ দাম, সেমাই, ইউনানি ইত্যাদি। কুশন ফারসি শব্দ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শব্দে ব্যবহৃত যুক্ত বর্ণটি কিভাবে গঠিত?
ক
ক্+ষ
খ
ক্+ণ
গ
ঙ্+,ম
ঘ
হ্+ম
সঠিক উত্তর:
ঘ (হ্+ম)
ব্যাখ্যা:
যুক্তবর্ণ হ্ম=হ্+ম, যেমন- ব্রহ্ম, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি। যুক্তবর্ণ ক্ষ = ক + ষ, যেমন- বক্ষ, রক্ষা, শিক্ষা ইত্যাদি। যুক্তবর্ণ ষ্ণ = ষ + ণ, যেমন- কৃষ্ণ ইত্যাদি। যুক্তবর্ণ জ্ঞ = জ + ঞ, যেমন- জ্ঞান, বিজ্ঞান ইত্যাদি।
উৎপত্তি অনুসারে শব্দের শ্রেনী বিভাগ কত প্রকার ?
ক
৪
খ
৫
গ
৬
ঘ
৭
সঠিক উত্তর:
ক (৪)
ব্যাখ্যা:
নবম শ্রেণির(২০২১) নতুন বোর্ড বইয়ে -এ উৎপত্তি অনুসারে শব্দ ৪ প্রকার।যথা- তৎসম,তদ্ভব,দেশি,বিদেশি । অর্থ অনুসারে তিন প্রকার।যথা-যৌগিক শব্দ,রুঢ়ি শব্দ,যোগরুঢ় শব্দ। গঠন অনুসারে শব্দ দুই প্রকার।যথা-মৌলিক শব্দ,সাধিত শব্দ ।
'উপদ্রব' শব্দের বিশেষণ কোনটি?
ক
উপদ্রুত
খ
উপদ্রবণ
গ
উপদ্রবিত
ঘ
উপদ্রবন
সঠিক উত্তর:
ক (উপদ্রুত)
ব্যাখ্যা:
উপদ্রুত শব্দের অর্থ উৎপীরিত ।
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ ?
ক
মুহূর্ত
খ
ব্যূৎপত্তি
গ
সূতা
ঘ
নূতন
সঠিক উত্তর:
খ (ব্যূৎপত্তি)
‘উপগ্রহ’- শব্দটি কি উপায়ে গঠিত শব্দ?
ক
সন্ধির মাধ্যমে
খ
দ্বিরুক্ত শব্দ সহযোগে
গ
সমাসের মাধ্যমে
ঘ
প্রত্যয় সহযোগে
সঠিক উত্তর:
গ (সমাসের মাধ্যমে)
ব্যাখ্যা:
হের সদৃশ=উপগ্রহ (অব্যয়ীভাব সমাস)। সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
নিচের কোনটির মাধ্যমে নতুন শব্দ গঠন করা যায় না?
ক
বাক্য সংকোচনের মাধ্যমে
খ
প্রত্যয় সহযোগে
গ
ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধানের মাধ্যমে
ঘ
সমাসের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
গ (ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধানের মাধ্যমে)
ব্যাখ্যা:
ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান বাংলা বানানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশনগুলো শব্দ গঠনের উপায়। যেমন- বাক্য সংকোচনের মাধ্যেমেঃ লাভ করার ইচ্ছা-লিপ্সা; প্রত্যয় সহযোগেঃ ঘর+আমি=ঘরামি; সমাসের মাধ্যমেঃ জায়া+পতি=দম্পতি। সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
বাক্যের প্রাণ কি?
ক
ধ্বনি
খ
শব্দ
গ
পদ
ঘ
বাগধারা
সঠিক উত্তর:
খ (শব্দ)
ব্যাখ্যা:
কিছু ধ্বনি উচ্চারিত হয়ে বা বর্ণ একত্রে বসে যদি কোন নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে তবে তাকে শব্দ বলে। অর্থপূর্ণ শব্দই বাক্যের প্রাণ। সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ কোনটি ?
ক
জলদ
খ
জলজ
গ
বনজ
ঘ
সহজ
সঠিক উত্তর:
ক (জলদ)
ব্যাখ্যা:
সমাসনিস্পন্ন যে সকল শব্দ সমস্যমান পদগুলোর অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোন অর্থ প্রদান করে তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে । কয়েকটি যোগরূঢ় শব্দ- পঙ্গজ , রাজপুত, মহাযাত্রা, জলধি, অসুখ, সরোজ প্রভৃতি ।
বাংলায় ভাষায় সমাস নিস্পন্ন যে সব শব্দ সমস্যমান পদগুলোর কোনটার অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোন অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে বলেঃ
ক
যৌগিক শব্দ
খ
রূঢ় শব্দ
গ
যোগরূঢ় শব্দ
ঘ
সাধিত শব্দ
সঠিক উত্তর:
গ (যোগরূঢ় শব্দ)
ব্যাখ্যা:
কয়েকটি যোগরূঢ় শব্দ- পঙ্গজ, রাজপুত, মহাযাত্রা, জলধি, সহৃদ, অসুখ, সরোজ প্রভৃতি ।
অর্থ অনুসারে হরিণ কোন ধরনের শব্দ?
ক
যৌগিক
খ
মৌলিক
গ
যোগরূঢ়
ঘ
রূঢ়ি
সঠিক উত্তর:
ঘ (রূঢ়ি)
ব্যাখ্যা:
কয়েকটি রূঢ়ি শব্দ- সন্দেশ, হস্তী, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, পাঞ্জাবি, হরিণ, গবেষণা ইত্যাদি ।
নিচের কোনটি যোগরুঢ় শব্দ?
ক
দৌহিত্র
খ
বাঁশি
গ
তুরঙ্গম
ঘ
তৈল
সঠিক উত্তর:
গ (তুরঙ্গম)
ব্যাখ্যা:
আর কয়েকটি যোগরুঢ় শব্দঃ পঙ্কজ, রাজপুত, মহাযাত্রা ও জলধি।
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল শব্দ অনুগামী না হয়ে অন্য কোন বিশিষ্ট অর্থ বুঝায় তাকে কোন ধরনের শব্দ বলে?
ক
যৌগিক শব্দ
খ
রূঢ়ি শব্দ
গ
যোগরূঢ়
ঘ
মৌলিক
সঠিক উত্তর:
খ (রূঢ়ি শব্দ)
'জোছনা' কোন শ্রেণীর শব্দ?
ক
যৌগিক
খ
তৎসম
গ
দেশী
ঘ
অর্ধ-তৎসম
সঠিক উত্তর:
ঘ (অর্ধ-তৎসম)
ব্যাখ্যা:
কিছু সংস্কৃত শব্দ সামান্য বিকৃতভাবে বাংলায় ব্যবহূত হয়, যেগুলিকে বলা হয় অর্ধতৎসম শব্দ, যেমন: চন্দর< চন্দ্র, বাদ্যি < বাদ্য, মিষ্টি <মিষ্ট, সত্যি < সত্য, জ্যোৎস্না˂>জ্যোছনা ইত্যাদি।
র নিজস্ব শব্দ মূলত কোনগুলো?
ক
তৎসম
খ
অর্ধতৎসম
গ
তদ্ভব
ঘ
খ+গ
সঠিক উত্তর:
ঘ (খ+গ)
ব্যাখ্যা:
তৎসম শব্দের বানান ও উচ্চারণ থেকে বিচ্যুত হয়ে অর্ধ-তৎসম ও তদ্ভব শব্দ গুলো বাংলায় এসেছে। এই জন্য এদেরকে বাংলা ভাষার নিজস্ব শব্দ বলে।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)