বঙ্গোপসাগর
বঙ্গোপসাগর সংক্রান্ত বাংলাদেশ বিষয়াবলী MCQ। সমুদ্রসীমা, সামুদ্রিক সম্পদ ও বঙ্গোপসাগর বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর।
মোট 3 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 1‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ এর অন্য নাম কী?
ক
গঙ্গাখাত
খ
বঙ্গাখাত
গ
গভীরখাত
ঘ
নিম্মখাত
সঠিক উত্তর:
ক (গঙ্গাখাত)
‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ কোথায় অবস্থিত?
ক
যমুনা নদীতে
খ
বঙ্গোপসাগরে
গ
মেঘনার মোহনায়
ঘ
সন্দীপ চেনেল
সঠিক উত্তর:
খ (বঙ্গোপসাগরে)
ব্যাখ্যা:
সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড: 'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' (Swatch of no ground ) এর মানে- বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম। অনেক আগে ব্রিটিশরা সোয়াচ অভ নো গ্রাউন্ড নামটি দেয়। এর কারণ হলো সোয়াচ অভ নো গ্রাউন্ড যেখানে শুরু, সেখানে হঠাৎ করেই পানির গভীরতা বেড়ে গেছে। ব্রিটিশদের ধারণা ছিলো সমুদ্রের এই খাদের কোন তল নাই, এজন্য বলেছিলো সোয়াচ অভ নো গ্রাউন্ড। আসলে বঙ্গোপসাগরের তলায় একটি গভীর উপত্যকা বা মেরিন ভ্যালি। একে আন্ডার ওয়াটার ক্যানিয়নও বলা হয়। সোয়াচ অভ নো গ্রাউন্ড এ প্রচুর মাছ পাওয়া যায়। জেলেরা ফিশিংবোট আর মাছধরার ট্রলার করে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এ মাছ ধরতে যান। বিশেষ করে বাংলাদেশের সেরা চিংড়ির ঘের তো ওই সোয়াচ অভ নো গ্রাউন্ডেই। জেলেরা ওখানে গিয়ে দেখে যে, পানির রং কেমন আলাদা। জেলেরা ঠিকই জানে যে জায়গাটা অনেক গভীর। কিন্তু এর তলায় যে একটি গভীর উপত্যকা রয়েছে তা তাদের জানার কথা নয়। এখানে বেশ ক’প্রজাতির ডলফিন, এমনকি তিমিও দেখা যায় মাঝে মাঝে। সুন্দরবন এর দুবলার চর/সোনারচর থেকে প্রায় ৩০-৪০ কি.মি গভীর সমুদ্রে এটি অবস্থিত। গভীরতা সম্পর্কে উইকিপিডিয়া কিংবা আর কেউ সঠিক কোন তথ্য দিতে পারে নাই এখনো। সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য হিসেব মতে, সোয়াচ অভ নো গ্রাউন্ড এর সর্বমোট এলাকা প্রায় ৩হাজার ৮০০ বর্গকিলোমিটার। গভীরতা ১০ মিটার থেকে ১০০ মিটার। তবে এর ৭০% এর গভীরতা ৪০ মিটার- এর বেশি। এর তলায় রয়েছে কাদা মোশানো বালি। এর ঘনত্ব প্রায় ১৬ কিলোমিটার! কথিত আছে, এইখানেই ১৮৬৩ সালে গ্যাডফ্লাই নামে একটা ২১২ টনি ব্রিটিশ গানবোট ভারত থেকে ইংল্যান্ডে বিপুল পরিমান ধনরত্ন নিয়ে যাওয়ার সময় ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায় ।
সমুদ্রপৃষ্ঠ ৪৫cm বৃদ্ধি পেলে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে Climate refugee হবে?
ক
৩ কোটি
খ
৩.৫ কোটি
গ
৪ কোটি
ঘ
৪.৫ কোটি
সঠিক উত্তর:
খ (৩.৫ কোটি)
ব্যাখ্যা:
∎The term "climate refugees" or climate migrants refers to the subset of environmental migrants forced to move "due to sudden or gradual alterations in the natural environment related to at least one of three impacts of climate change: sea-level rise, extreme weather events, and drought and water scarcity" (Global Governance Project 2012). The term climate exiles has been used to refer to those climate migrants who may be in danger of becoming stateless.
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)