নদ-নদী

ভূগোল, পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থা বিষয়ের নদ-নদী অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও ব্যাখ্যাসহ সমাধান। বিসিএস ও চাকরির সেরা প্রস্তুতি।

মোট 300 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 20
1
ওডারনীস নদী ------
ক পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
খ পশ্চিম জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
গ সংযুক্ত জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যে সীমা নির্ধারক
ঘ পশ্চিম জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্রের মধ্যে সীমা নির্ধারক
সঠিক উত্তর: ক (পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক)
ব্যাখ্যা:
ওডারনীস নদী উত্তর মধ্য ইউরোপের একটি নদী এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন পথ । এটি চেক প্রজাতন্ত্রের ওলোমুকের কাছে উৎপত্তি লাভ করে উত্তর - পূর্বে প্রবাহিত হয়ে পোল্যান্ডে প্রবেশ করেছে এবং দেশটির দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী হিসেবে রাসিবর্জ , ওপোলে , রোকলভ এবং কোস্ত্রজিনের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সজেসিনের কাছে বাল্টিক সাগরে পতিত হয়েছে ।
3
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনায় সম্মিলিত নদী অববাহিকার কত শতাংশ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত?
ক ৪
খ ৭
গ ৩৩
ঘ ১৪
সঠিক উত্তর: গ (৩৩)
ব্যাখ্যা:
গঙ্গা - ব্রহ্মপুত্র - মেঘনায় সম্মিলিত নদী অববাহিকার ৩৩ শতাংশ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকা প্রায় ১.৭ মিলিয়ন কিলোমিটার জায়গাজুড়ে বিস্তৃত; যেখানে চীন, ভারত, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের মিলিয়ন জনসংখ্যার বাস। এই তিন নদী এই পাঁচ রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিল্পায়ন, কৃষি - বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চলে বিশ্বের মোট দরিদ্রের ৪০ শতাংশের বসবাস। বর্তমানে রাষ্ট্রগুলো জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ণের ফলে পানিসম্পদের ওপর অব্যাহত চাপ মোকাবিলা করছে।
4
বাংলাদেশে সারা বছর নাব্য নদীপথের দৈর্ঘ্য কত?
ক ২৪,১৪০ কিমি
খ ১১,০০০ কিমি
গ ৮,৫০০ কিমি
ঘ ৫,২০০ কিমি
সঠিক উত্তর: ঘ (৫,২০০ কিমি)
ব্যাখ্যা:
বর্ষাকালে বাংলাদেশের নদীপদের দৈর্ঘ্য ৬০০০ কিমি.। তবে দেশের নদীগুলোতে পলি পড়ে যাওয়ায় শুকনো মৌসুমে নদীপথ কমে আসছে। উল্লেখ্য, উপনদী ও শাখানদীসহ বাংলাদেশের নদীর মোট দৈর্ঘ্য ২৪,১৪০কি,মি।
5
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার কোন নদী দ্বারা বিভক্ত?
ক নাফ
খ নবগঙ্গা
গ ভাগীরথী
ঘ কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর: ক (নাফ)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার নাফ নদী দ্বারা বিভক্ত। বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তে বার্মা সীমান্তে অবস্থিত একটি নদী। এটি কক্সবাজার জেলার দক্ষিণ পূর্ব কোনা দিয়ে প্রবাহিত। মূলত এটি কোন নদী নয়, বঙ্গোপসাগরের বর্ধিত অংশ। এর পানি তাই লবনাক্ত। এর পশ্চিম পাড়ে বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলা এবং পূর্ব পাড়ে বার্মার আরাকান প্রদেশের আকিয়াব অবস্থিত। এর প্রস্থ স্থান বিশেষে ১.৬১ কিমি হতে ৩.২২ কিমি হয়ে থাকে। নদীটির মোহনায় শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ অবস্থিত।
6
বাংলাদেশে ঢোকার পর গঙ্গা নদী, ব্রহ্মপুত্র-যমুনার সাথে নিম্নোক্ত একটা জায়গায় মেশে -----
ক গোয়ালন্দ
খ ভৈরববাজার
গ নারায়ণগঞ্জ
ঘ বাহাদুরাবাদ
সঠিক উত্তর: ক (গোয়ালন্দ)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশে ঢোকার পর গঙ্গা নদী, ব্রহ্মপুত্র - যমুনার সাথে নিম্নোক্ত একটা জায়গায় মেশে - - - - - গোয়ালন্দ। বাংলাদেশে যমুনা নদীর (ব্রহ্মপুত্রের বৃহত্তম শাখানদী) সঙ্গমস্থল পর্যন্ত গঙ্গার মূল শাখাটি পদ্মা নামে পরিচিত। আরও দক্ষিণে গিয়ে গঙ্গা ব্রহ্মপুত্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম শাখানদী মেঘনার সঙ্গে মিশে মেঘনা নাম ধারণ করে শেষপর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। গঙ্গা - ব্রহ্মপুত্র নদীর বদ্বীপ বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপ। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও সুরমা - মেঘনা নদীর মিলিত জলপ্রবাহের চেয়ে একমাত্র আমাজন ও কঙ্গো নদীর জলপ্রবাহের পরিমাণ বেশি। পূর্ণ প্লাবনের ক্ষেত্রে একমাত্র আমাজনই দুই নদীর মধ্যে বৃহত্তর।
7
পদ্মা ও যমুনা নদীর মিলনস্থল কোথায় ?
ক চাঁদপুর
খ ভৈরব
গ বগুড়া
ঘ গোয়ালন্দ
সঠিক উত্তর: ঘ (গোয়ালন্দ)
ব্যাখ্যা:
পদ্মা ও যমুনা নদীর মিলনস্থল গোয়ালন্দ। পদ্মা বাংলাদেশের প্রধান নদী। হিমালয়ে উৎপন্ন গঙ্গানদীর প্রধান শাখা এবং বাংলাদেশের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর রাজশাহী এই পদ্মার উত্তর তীরে অবস্থিত। পদ্মার সর্বোচ্চ গভীরতা ১, ৫৭১ ফুট (৪৭৯ মিটার) এবং গড় গভীরতা ৯৬৮ফুট (২৯৫ মিটার)। উৎপত্তিস্থল হতে ২২০০ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মিলিত প্রবাহ পদ্মা নামে আরো পূর্ব দিকে চাঁদপুর জেলায় মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। সবশেষে পদ্মা - মেঘনার মিলিত প্রবাহ মেঘনা নাম ধারণ করে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়।
8
ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদী কোনটি ?
ক শীতলক্ষ্যা
খ ধরলা
গ বংশী
ঘ বুড়িগঙ্গা
সঠিক উত্তর: ঘ (বুড়িগঙ্গা)
ব্যাখ্যা:
ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদী বুড়িগঙ্গা। বুড়িগঙ্গা নদী বাংলাদেশের উত্তর - কেন্দ্রীয় অঞ্চলের ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২৯ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৩০২ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক বুড়িগঙ্গা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর - কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নদী নং ৪৭। তবে বর্তমানে এটা ধলেশ্বরীর শাখাবিশেষ। কথিত আছে, গঙ্গা নদীর একটি ধারা প্রাচীনকালে ধলেশ্বরী হয়ে সোজা দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে মিশেছিল। পরে গঙ্গার সেই ধারাটির গতিপথ পরিবর্তন হলে গঙ্গার সাথে তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তবে প্রাচীন গঙ্গা এই পথে প্রবাহিত হতো বলেই এমন নামকরণ। মূলত ধলেশ্বরী থেকে বুড়িগঙ্গার উৎপত্তি।
9
টেমস নদীর তীরে কোন শহর অবস্থিত?
ক অটোয়া
খ প্যারিস
গ লন্ডন
ঘ সিউল
সঠিক উত্তর: গ (লন্ডন)
ব্যাখ্যা:
টেমস নদীর তীরে লন্ডন শহর অবস্থিত। টেম্স নদী (River Thames) ইংল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত অন্যতম প্রধান একটি নদী। লন্ডন শহর এই নদীর তীরে অবস্থিত। লন্ডনের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হবার কারণেই এই নদী বিখ্যাত, অবশ্য আরও বেশ কিছু শহর ধুয়ে দিয়ে গছে এই নদীটি। এর মধ্যে রয়েছে অক্সফোর্ড, রেডিং এবং উইন্ডসর। নদীর নামের উৎপত্তি ঘটেছে টেম্স উপত্যকা থেকে। এই উপত্যকাটি অক্সফোর্ড, পশ্চিম লন্ডন এবং টেম্স গেটওয়ের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এই উপত্যকাকে কেন্দ্র করেই টেম্স প্রবাহিত হয়েছে।
10
বরিশাল কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
ক কীর্তনখোলা
খ আড়িয়াল খাঁ
গ কোনটিই নয়
ঘ মেঘনা
সঠিক উত্তর: ক (কীর্তনখোলা)
ব্যাখ্যা:
বরিশাল কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত। কীর্তনখোলা নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ - পশ্চিমাঞ্চলের বরিশাল এবং ঝালকাঠি জেলার একটি নদী। নদীটিরদৈর্ঘ্য ১৬০ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৪৯৭ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক কীর্তনখোলা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ - পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ২১। এই নদীর তীরে বরিশাল শহর অবস্থিত।
11
ধলেশ্বরী নদীর শাখা কোনটি
ক শীতলক্ষ্যা
খ ধরল
গ বংশী
ঘ বুড়িগঙ্গা
সঠিক উত্তর: ঘ (বুড়িগঙ্গা)
ব্যাখ্যা:
ধলেশ্বরী নদীর শাখ নদী বুড়িগঙ্গা। ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গা মিলিত হয়েছে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়।
12
বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে কোনটি?
ক ব্রহ্মপুত্র
খ মেঘনা
গ যমুনা
ঘ পদ্মা
সঠিক উত্তর: ক (ব্রহ্মপুত্র)
ব্যাখ্যা:
ব্রহ্মপুত্র নদীর সর্বাধিক প্রস্থ ১০৪২৬ মিটার (বাহাদুরাবাদ)। এটিই বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে। ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা হচ্ছে যমুনা। এক কালের প্রশস্ত ব্রহ্মপুত্র নদ বর্তমানে শীর্ণকায়।
13
ঢাকা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
ক তুরাগ
খ বালু
গ বুড়িগঙ্গা
ঘ শীতলক্ষ্যা
সঠিক উত্তর: গ (বুড়িগঙ্গা)
ব্যাখ্যা:
ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। বুড়িগঙ্গা নদী বাংলাদেশের উত্তর - কেন্দ্রীয় অঞ্চলের ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২৯ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৩০২ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক বুড়িগঙ্গা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর - কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নদী নং ৪৭। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। ৪০০ বছর আগে এই নদীর তীরেই গড়ে উঠেছিল ঢাকা শহর।
14
কোন নদীর ভারতীয় অংশের নাম বরাক
ক পদ্মা
খ যমুনা
গ তিস্তা
ঘ মেঘনা
সঠিক উত্তর: ঘ (মেঘনা)
ব্যাখ্যা:
মেঘনা নদীর ভারতীয় অংশের নাম ‘বরাক নদী।
15
বাংলাদেশের কোন নদীতে বাঁধ দিয়ে কৃত্রিম হ্রদ তৈরী করা হয়েছে?
ক তিস্তা
খ যমুনা
গ কর্ণফুলী
ঘ সুরমা
সঠিক উত্তর: গ (কর্ণফুলী)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে কৃত্রিম হ্রদ তৈরী করা হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদ হলো কর্ণফুলী নদীতে ১৯৬৫ সালে বাঁধ দেওয়ার ফলে সৃষ্ট এক কৃত্রিম হ্রদ।
0 টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)