জ্যোতির্বিজ্ঞান
জ্যোতির্বিজ্ঞান MCQ বিসিএস পরীক্ষার জন্য। সৌরজগৎ, গ্রহ-উপগ্রহ, ছায়াপথ ও মহাকাশ গবেষণা নিয়ে প্রশ্নোত্তর।
মোট 15 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 1চাঁদে সর্বপ্রথম নভোযান পাঠায় -
ক
যুক্তরাষ্ট্র
খ
সোভিয়েত ইউনিয়ন
গ
চীন
ঘ
ভারত
সঠিক উত্তর:
খ (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
ব্যাখ্যা:
তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের লুনা ২ মিশন হচ্ছে চাঁদে অবতরণকারী মনুষ্যনির্মিত প্রথম বস্তু যা ১৯৫৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর চাঁদে অবতরণ করে। এরপর ১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা চাঁদের উদ্দেশ্যে অ্যাপোলো-১১ মিশন প্রেরণ করে। এই মিশনে নভোচারী ছিলো তিনজন- নীল আর্মস্ট্রং, বাজ অলড্রিন এবং মাইকেল কলিন্স।
বিজ্ঞানী হাবল মহাবিশ্ব সম্পর্কে বলেন-
ক
মহাবিশ্ব ভেঙে নতুন মহাবিশ্ব হচ্ছে
খ
মহাবিশ্বের ছায়াপথগুলো ক্রমেই নিকটে আসছে
গ
মহাবিশ্ব স্থির আছে
ঘ
মহাবিশ্ব প্রতিনিয়তই সম্প্রসারিত হচ্ছে
সঠিক উত্তর:
ঘ (মহাবিশ্ব প্রতিনিয়তই সম্প্রসারিত হচ্ছে)
The Sun is a-
ক
Star
খ
planet
গ
asteroid
ঘ
None of the above
সঠিক উত্তর:
ক (Star)
চন্দ্রগ্রহণের সময়-
ক
পৃথিবী, সূর্য ও চন্দ্রের মাঝে অবস্থান করে
খ
চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে অবস্থান করে
গ
সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবীর মাঝে অবস্থান করে
ঘ
পৃথিবী ও চন্দ্র সোজাসুজি অবস্থান করে
সঠিক উত্তর:
ক (পৃথিবী, সূর্য ও চন্দ্রের মাঝে অবস্থান করে)
কেপলার- ৪৫২-বি কী ?
ক
পৃথিবীর মত একটি গ্রহ
খ
NASA -এর অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ
গ
সূর্যের মত একটি নক্ষত্র
ঘ
একটি মহাকাশ যান
সঠিক উত্তর:
ক (পৃথিবীর মত একটি গ্রহ)
ব্যাখ্যা:
কেপলার-৪৪২বি হল স্বীকৃত তথা পৃথিবীর প্রায় সমান আকৃতিবিশিষ্ট একটি বহির্গ্রহ। গ্রহটি এটির কেপলার অবজেক্ট অফ ইন্টারেস্ট সংজ্ঞা কেওআই ৪৭৪২.০১ (ইংরেজি: KOI-4742.01) নামেও পরিচিত। সম্ভবত এটি একটি শিলাময় গ্রহ। কেপলার-৪৪২বি গ্রহটি কে-শ্রেণির প্রধান-পর্যায়ভুক্ত তারা কেপলার-৪৪২-কে বাসযোগ্য অঞ্চলের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথ ধরে প্রদক্ষিণ করে চলেছে।
সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র-
ক
ফ্যাদোমিটার
খ
সেক্সট্যান্ট
গ
ক্রনমিটার
ঘ
ট্যাক্টোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ (সেক্সট্যান্ট)
ব্যাখ্যা:
সেক্সট্যান্ট-যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সেক্সট্যান্ট। অক্ষরেখা- পৃথিবীর গোলাকৃতির কেন্দ্র দিয়ে উত্তর ও দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে বলা হয়- অক্ষরেখা। এর অপর নাম মেরুরেখা। এই অক্ষের উত্তর প্রান্তকে সুমেরু এবং দক্ষিণ প্রান্তকে কুমেরু বলে। সমাক্ষরেখা-নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোন স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের অক্ষরেখা বলে। অক্ষরেখার ডিগ্রিকে অক্ষাংশ বলে। অক্ষাংশ নির্ণয়ের কিছু মাধ্যম আছে। যথাঃ- সেক্সট্যান্টের সাহায্যে।
কৃষ্ণগহ্বর হতে এমনকি আলো বের হতে পারে না । কারণ-
ক
এর মধ্যাকর্ষণ শক্তি খুবই বেশি
খ
এতে ভাসমান ধূলিকণা খুবই বেশি
গ
এর মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি
ঘ
এদের কোনোটাই নয়
সঠিক উত্তর:
গ (এর মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি)
ব্যাখ্যা:
কৃষ্ণগহ্বর বা কৃষ্ণ বিবর মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি বহুল প্রচলিত ধারণা। এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণগহ্বর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকেও নয়।
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তনের দিক-
ক
পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে
খ
পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
গ
উত্তর হতে দক্ষিণ হতে
ঘ
দক্ষিণ হতে উত্তর দিকে
সঠিক উত্তর:
খ (পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে)
ব্যাখ্যা:
-পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে আবর্তনের গতিকে বলা হয় আহ্নিক গতি। -পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। এর ফলে ঘূর্ণায়মান ভূপৃষ্ঠে বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সহ যেকোন গতিশীল পদার্থ সরাসরি উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়।
ধ্রুবতারা ঠিক মাথার উপর অবস্থান করে-
ক
কুমেরু বিন্দুতে
খ
সুমেরু বিন্দুতে
গ
অক্ষরেখায়
ঘ
কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ (কোনোটিই নয়)
ব্যাখ্যা:
ইংরেজি পোল স্টার(Pole star)। পৃথিবীর উত্তর মেরুর অক্ষ বরাবর দৃশ্যমান তারা ধ্রুবতারা নামে পরিচিত। এই তারাটি পৃথিবীর অক্ষের উপর ঘূর্ণনের সাথে প্রায় সামাঞ্জস্যপূর্ণভাবে আবর্তিত হয়। প্রাচীন কালে দিক নির্ণয় যন্ত্র আবিস্কারের পূর্বে সমূদ্রে জাহাজ চালাবার সময় নাবিকরা এই তারার অবস্থান দেখে দিক নির্ণয় করতো. রাত বাড়ার সাথে সাথে আকাশের দৃশ্যমান সকল তারা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে । শুধুমাত্র ধ্রুবতারাই মোটামুটি একই স্থানে অবস্থান (দৃশ্যত) থাকে । এটি আকাশের একমাত্র তারা, যেটিকে এ অঞ্চল হতে বছরের যে কোন সময়েই ঠিক এক জায়গায় দেখা যায়। পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ থেকে ধ্রুবতারাকে সারাবছরই আকাশের উত্তরে নির্দিষ্ট স্থানে দেখা যায়। দিক নির্ণয়ে এই তারা গুরুত্বপূর্ণ। ধ্রুবতারাকে বেশি উঁচুতে দেখা যায় না। ঢাকা থেকে ধ্রুব তারার উচ্চতা ২৩ ডিগ্রি ৪৩ মিনিট। দিগ্বলয় থেকে আকাশের প্রায় চারভাগের একভাগ উঁচুতেই এই তারাটির মতো উজ্জ্বল আর কোনো তারা নেই বলে একে চিনতে বিশেষ অসুবিধা হয় না। তবে বাংলাদেশ থেকে যতই উত্তরে যাওয়া যাবে, ধ্রুবতারা ততই ওপরে দেখা যাবে।
দুটি স্থানের মধ্যে দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য ১ হলে সময়ের পার্থক্য কত ?
ক
১ মিনিট
খ
২ মিনিট
গ
৩ মিনিট
ঘ
৪ মিনিট
সঠিক উত্তর:
ঘ (৪ মিনিট)
কোনো স্থানে সময় যখন রবিবার সকাল ৬ টা তখন এর ১৮০^o পশ্চিম দিকে অবস্থিত স্থানের সময় হবে-
ক
শনিবার রাত ১২ টা
খ
শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা
গ
রবিবার দুপুর ২ টা
ঘ
রবিবার সন্ধ্যা ৬ টা
সঠিক উত্তর:
খ (শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা)
কোনো স্থানে সময় যখন শনিবার সকাল ১০ টা তখন এর ১৮০^o পূর্বদিকে অবস্থিত স্থানের সময় হবে-
ক
শনিবার রাত্রি ১০ টা
খ
শনিবার দুপুর ৪ টা
গ
শুক্রবার রাত্রি ১০ টা
ঘ
শনিবার ভোর ৪ টা
সঠিক উত্তর:
ক (শনিবার রাত্রি ১০ টা)
২২ ডিসেম্বর তারিখে কুমেরু সূর্যের দিকে কত ডিগ্রি অক্ষাংশে ঝুঁকে থাকে ?
ক
৬৬.৫^o পশ্চিম
খ
২৩.৫^o দক্ষিণ
গ
২৩.৫^o উত্তর
ঘ
৬৬.৫^o পূর্ব
সঠিক উত্তর:
খ (২৩.৫^o দক্ষিণ)
উত্তর গোলার্ধে সূর্যের নিকটতম স্থানে অবস্থান করে-
ক
২১ শে জুন
খ
১ জানুয়ানি
গ
২৩ সেপ্টেম্বর
ঘ
২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক (২১ শে জুন)
দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয় -
ক
১ ডিসেম্বর
খ
১ জুলাই
গ
২১ জুন
ঘ
২৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
গ (২১ জুন)
ব্যাখ্যা:
২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে। একইদিন উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় রাত ও ছোট দিন। উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও সবচেয়ে ছোট রাত হলো ২১ জুন। এদিন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও সবচেয়ে বড় রাত। ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান থাকে।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)