প্রাণিবিদ্যা
বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য সাধারণ বিজ্ঞান - প্রাণিবিদ্যা MCQ প্রশ্নোত্তর। চাকরির প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক। — পৃষ্ঠা 2
মোট 81 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 2 / 6কোন পতঙ্গ তার নিজের ওজনের ৫০ গুন বেশি ওজন বহন করতে পারে?
ক
প্রজাপতি
খ
মশা
গ
মাকড়শা
ঘ
পিঁপড়া
সঠিক উত্তর:
ঘ (পিঁপড়া)
ব্যাখ্যা:
পিঁপড়ার কান নেই। পিঁপড়ার হাঁটু এবং পায়ে আছে বিশেষ এক ধরণের সেনসিং ভাইব্রেসন যার মাধ্যমে আশেপাশের পরিস্থিতি পিঁপড়ারা বুঝতে পারে। পোকামাকড়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় মস্তিষ্কের অধিকারী পিপড়া। বিশ্বে পিঁপড়ার প্রায় ১২ হাজার প্রজাতি রয়েছে। এই প্রাণীটি তার শরীরের ওজনের চেয়েও ৫০ গুণ বেশি ওজন বহন করতে পারে! পিঁপড়াদেরও একজন রাণী থাকে যার থেকে লক্ষাধিক বাচ্চা হয়। পিঁপড়ার কান নেই। তাই মাটির কম্পন থেকেই শব্দের ব্যাপারটি বুঝে নেয়।
মাছ অক্সিজেন নেয়-----
ক
মাঝে মাঝে পানির উপর নাক তুলে
খ
পটকার মধ্যে জমানো বাতাস হতে
গ
পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে
ঘ
পানিতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিশ্লিষ্ট করে
সঠিক উত্তর:
গ (পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে)
ব্যাখ্যা:
মাছেরা অক্সিজেন দুই ভাবে নিয়ে থাকে । প্রথমত মাছ তার নিজের ফুল্কোর ( gills ) সাহায্যে জলের ভিতর থেকে জলের দ্রবীভূত অক্সিজেন নিয়ে বেঁচে থাকে , এবং দ্বিতীয়ত জলের উপরের বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন নিয়ে থাকে। তবে তিমি শুশুক ডলফিন সরাসরি বাতাসের থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
বাংলাদেশের মৎস্য আইনে কত সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের পোনামাছ ধরা নিষেধ?
ক
২০ সেমি
খ
২৫ সেমি
গ
৩০ সেমি
ঘ
২৩ সেমি
সঠিক উত্তর:
ঘ (২৩ সেমি)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের মৎস্য আইনে মাছ চাষের উদ্দেশ্য ছাড়া কেউ প্রতি বছর জুলাই - ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৩ সেমি'র কম দৈর্ঘ্যের রুই, কাতলা, মৃগেল, কালবাউশ ও ঘনিয়া , নভেম্বর - এপ্রিল পর্যন্ত জাটকা (ছোট ইলিশ) ও পাঙ্গাশ এবং ফেব্রুয়ারি - জুন পর্যন্ত ৩০ সেমি'র কম দৈর্ঘ্যের মাছ ধরা নিষিদ্ধ।
' এভিকালচার ' বলতে কি বুঝায়?
ক
উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদি
খ
বাজ পাখিপালন বিষয়াদি
গ
উড়োজাহাজ ব্যবস্থাপনা
ঘ
পাখিপালন বিষয়াদি
সঠিক উত্তর:
ঘ (পাখিপালন বিষয়াদি)
ব্যাখ্যা:
পাখি পালন বিষয়াদি বুঝায় । যে বিদ্যায় পাখিদের সমস্ত শ্রেণী ও বাসস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় । তাকে এভিকালচার বলে ।
টুথপেস্টের প্রধান উপাদান ----
ক
জেলী ও মশলা
খ
সাবান ও পাউডার
গ
ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল
ঘ
ভোজ্য তেল ও সোডা
সঠিক উত্তর:
খ (সাবান ও পাউডার)
ব্যাখ্যা:
দাঁত পরিষ্কার করার জন্য জেলি / লেইয়ের মত যে পদার্থ ব্যবহার করা হয় তাকে টুথপেস্ট বলে। সাধারণ মানের টুথপেস্টে রয়েছে - চক পাউডার - ৩০% সাবান - ১৫% ট্রাই ও ডাই ক্যালসিয়াম ফসফেট - ১০% গাম ট্রাগাকান্হ মিউসিলেজ - ৫.৫%
কোনটি স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়?
ক
হাতি
খ
তিমি
গ
বাদুর
ঘ
কুমির
সঠিক উত্তর:
ঘ (কুমির)
ব্যাখ্যা:
যেসকল প্রাণী মাতৃপ্রানীর স্তন্যদুগ্ধ পান করে জীবনধাণ করে থাকে ঐসব প্রানীকেই স্তন্যপায়ী প্রাণী বলে অবহিত করা হয়। স্তন্যপায়ী প্রাণী কর্ডাটা পর্বের অন্তর্গত এবং Mammalia/ম্যামালিয়া শ্রেণীর অন্তর্গত উন্নত গঠনের মেরুদণ্ডী প্রাণী। Mammal/ম্যামল শব্দটি প্রথমবারের মতো ব্যবহার করেন ক্যারোলাস লিনিয়াস। নীল তিমি হাতি বানর বাদুড় বাগডাশ ভোঁদড় কাঠবিড়ালী বেজী লজ্জাবতী বানর ভল্লুক বুনোশূকর
প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় ----
ক
ইথেন
খ
মিথেন
গ
বিউটেন
ঘ
এমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
খ (মিথেন)
ব্যাখ্যা:
প্রাণীর মূত্রে থাকে এমোনিয়া অপরদিকে মল - মূত্র গাজন বা ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় মিথেন গ্যাস
' পিসিকালচার' বলতে কি বোঝায় ?
ক
হাঁস-মুরগি পালন
খ
মৎস্য চাষ
গ
রেশম চাষ
ঘ
মৌমাছি পালন
সঠিক উত্তর:
খ (মৎস্য চাষ)
ব্যাখ্যা:
হাঁস - মুরগি পালনকে পোলট্রি,মৌমাছি পালনকে এপিকালচার, মৎস্য চাষকে পিসিকালচার এবং রেশম চাষকে সেরিকালচার বলে।
বিশ্বের দীর্ঘজীবী প্রাণী--
ক
কচ্ছপ
খ
নীলতিমি
গ
হাতি
ঘ
ক্যাঙ্গারু
সঠিক উত্তর:
ক (কচ্ছপ)
ব্যাখ্যা:
বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘজীবী প্রাণী হলো বৃহৎ কচ্ছপ। সর্ববৃহৎ প্রাণী নীলতিমি। সবচেয়ে বড় স্হলচর প্রাণী হাতি এবং ক্যাঙ্গারু হলো অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় প্রাণী।
বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে সাধারণত বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় না, কারণ -----
ক
পাখির গায়ে বিদ্যুৎরোধী আবরণ থাকে
খ
বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হলেও পাখি মরে না
গ
মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না
ঘ
পাখির দেহের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না
সঠিক উত্তর:
গ (মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না)
ব্যাখ্যা:
বর্তনী সম্পূর্ণ করতে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জের সংযোগের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে বর্তনী পূর্ণ হয় না বলে পাখি বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায় না। কিন্তু পাখিটি যদি অন্য তার স্পর্শ করে কিংবা ভূ - সংযুক্ত কোনো পরিবাহীর সংস্পর্শে আসে, তাহলে বর্তনী পূর্ণ হবে এবং এর ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার ফলে পাখিটি মারা যাবে।
এপিকালচার বলতে বুঝায় ----
ক
রেশমের চাষ
খ
মৌমাছির চাষ
গ
পাখিপালন বিদ্যা
ঘ
মৎস্য চাষ
সঠিক উত্তর:
খ (মৌমাছির চাষ)
ব্যাখ্যা:
এপিকালচার হচ্ছে মৌমাছির চাষ। রেশম চাষ, মৎস্য চাষ ও পাখিপালন বিদ্যাকে যথাক্রমে সেরিকালচার পিসিকালচার ও এভিকালচার বলে।
মৌমাছির চাষ হলো -----
ক
এপিকালচার
খ
পিসিকালচার
গ
হর্টিকালচার
ঘ
সেরিকালচার
সঠিক উত্তর:
ক (এপিকালচার)
ব্যাখ্যা:
এপিকালচার (Apiculture ) মৌমাছি চাষ। সেরিকালচার ও পিসিকালচার হলো যথাক্রমে রেশম চাষ ও মৎস্য চাষ।
কৃষিবিজ্ঞানের যে শাখায় মৌমাছি চাষ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে ---- বলে?
ক
সেরিকালচার
খ
পিসিকালচার
গ
হর্টিকালচার
ঘ
এপিকালচার
সঠিক উত্তর:
ঘ (এপিকালচার)
ব্যাখ্যা:
কৃষিবিজ্ঞানের যে শাখায় মৌমাছি চাষ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে এপিকালচার বলে। মৌমাছি চাষ করাকে এপিকালচার বলে। প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মৌমাছি নিয়ে মৌচাকের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পালন করাই হলো মৌমাছি চাষ।
পানিতে কিসের পরিমাণ কমে গেলে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণি মরে যায়?
ক
H2 (Hydrogen)
খ
N2 (Nitrogen)
গ
CO2 (Carbon dioxide)
ঘ
O2 (Oxygen)
সঠিক উত্তর:
ঘ (O2 (Oxygen))
ব্যাখ্যা:
পুকুরে মাছ চাষে বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। পানি দূষিত হয় , অক্সিজেন কমে যায় , গ্যাস সৃষ্টি হওয়াসহ নানা সমস্যার জন্য মাছের বিভিন্ন রোগ ও মড়ক দেখা যায়। ফলে মাছের উৎপাদন কমে যায়। অক্সিজেনের অভাবে মাছ পানিতে খাবি খায়। পানির ওপর ভেসে ওঠে। মাছকে খুব ক্লান্ত দেখায়। পানিতে সাঁতারকাটা , বাঁশ দিয়ে পানির ওপর পেটানো , হররা টেনে তলের গ্যাস বের করে দেয়া , পুকুরে পাম্প বসিয়ে ঢেউয়ের সৃষ্টি করা। নতুন পানি সরবরাহ করেও অক্সিজেন বাড়ানো যায়। প্রতি শতাংশে ১ কেজি চুন ও কৃত্রিম অক্সিজেন দেয়া যেতে পারে ।
দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি কোন রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে?
ক
হাইপো-থাইরয়ডিজম
খ
এনিমিয়া
গ
কোয়াশিয়রকর
ঘ
রাতকানা
সঠিক উত্তর:
ক (হাইপো-থাইরয়ডিজম)
ব্যাখ্যা:
কোনো কারণে থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন উৎপাদন কমে গেলে তাকে হাইপো - থাইরয়ডিজম বলে। বাংলাদেশে প্রধানত খাদ্যে আয়োডিনের ঘাটতির কারণে এ হরমোন উৎপাদন ব্যাহত হয়। দৈনন্দিন খাবারের সঙ্গে বেশি পরিমাণ আয়োডিনযুক্ত খাদ্য (শাকসবজি, ফলমূল, সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল) ও আয়োডিনযুক্ত লবণ খেয়ে এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)