মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ

বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য সাধারণ বিজ্ঞান - মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ MCQ প্রশ্নোত্তর। চাকরির প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক।

মোট 136 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 10
1
প্রবল জোয়ারের কারণ , এ সময় -
ক সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণ করে থাকে
খ চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে
গ পৃথিবীর সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
ঘ সূর্য , চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখার থাকে
সঠিক উত্তর: ঘ (সূর্য , চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখার থাকে)
ব্যাখ্যা:
প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময়- সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে। পূর্ণিমা ও অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবী চন্দ্র ও সূর্য প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে। চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণের জন্য জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে ওঠে। ফলে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয়। একে তেজ কটাল বলে।
2
পড়ন্ত বস্তুর সুত্র কোন বিজ্ঞানী প্রদান করেন?
ক নীলস বোর
খ গ্যালিলিও
গ রমন
ঘ ডারউইন
সঠিক উত্তর: খ (গ্যালিলিও)
3
মহাকর্ষীয় ধ্রুবককে কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
ক F
খ G
গ g
ঘ r
সঠিক উত্তর: খ (G)
4
বস্তুর ভর বৃদ্ধির সাথে মহাকর্ষ বলের কেমন পরিবর্তন ঘটে?
ক বৃদ্ধি পায়
খ সমান থাকে
গ ব্যস্তনুপাতে বৃদ্ধি পায়
ঘ সমানুপাতে বৃদ্ধি পায়
সঠিক উত্তর: ঘ (সমানুপাতে বৃদ্ধি পায়)
5
পৃথিবীর উপর মুক্তভাবে পতনকালে কোনো বস্তুর ত্বরণ কত?
ক 9.8m/sec2
খ 98m/sec2
গ .98m/sec2
ঘ None
সঠিক উত্তর: ক (9.8m/sec2)
6
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে সাধারণত কত সময় লাগে?
ক ৪০০ সে.
খ ৩০০ সে.
গ ৫০০ সে.
ঘ ২০০ সে.
সঠিক উত্তর: গ (৫০০ সে.)
7
একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল কত হবে ?
ক শূন্য
খ ভূ-পৃষ্ঠের সমান
গ অসীম
ঘ ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কম
সঠিক উত্তর: গ (অসীম)
8
সরল দোলকের সুতার দৈর্ঘ্য বাড়ালে , দোলনকাল --
ক বাড়বে
খ কমবে
গ কোন পরিবর্তন হবে না
ঘ দোলন স্থির হয়ে যাবে
সঠিক উত্তর: ক (বাড়বে)
9
এক ব্যক্তি দালানের দশতলায় ১টি লিফটে দাঁড়িয়ে আছে । তার হাতে কোন নিক্তি থেকে ঝুলানো একটি বস্তু ১০ নিউটন ওজন নির্দেশ করে । হঠাৎ লিফটের তার ছিড়ে লিফটি মুক্তভাবে নিচে পড়তে থাকলে স্প্রিং নিক্তিতে বস্তুটির ওজন কত নির্দেশ করবে ?
ক ০ নিউটন
খ ০.৯৮ নিউটন
গ ১০ নিউটন
ঘ ৯৮ নিউটন
সঠিক উত্তর: ক (০ নিউটন)
10
লিফট যদি মুক্তভাবে নিচে পড়ে তবে লিফটের সাপেক্ষে আমাদের ত্বরণ হবে -
ক শূন্য
খ অসীম
গ ৯.৮ মি. সে২
ঘ ৯.৮ মি. /সে২
সঠিক উত্তর: ক (শূন্য)
11
একটি কাঁচা পাটের গাইটের ওজন -----
ক ৩.৫ মণ
খ ৪.৫ মণ
গ ৫ মণ
ঘ ৪ মণ
সঠিক উত্তর: খ (৪.৫ মণ)
ব্যাখ্যা:
পাট উৎপাদনের পর থেকে পচনের আগ পর্যন্ত একে কাঁচা পাট নামে অভিহিত করা হয়। বাংলাদেশে উৎপাদিত পাটের ৪০% কাঁচা পাট এবং ৫০% তৈরী পণ্য হিসাবে রফতানী করা হয়। একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন ৪.৫ মণ.
12
কোনো স্থানে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে সেখানে একটি সরল দোলকের দোলনকাল কতগুণ বাড়বে বা কমবে?
ক ৯ গুণ বাড়বে
খ ৩ গুণ বাড়বে
গ ৩ গুণ কমবে
ঘ ৯ গুণ কমবে
সঠিক উত্তর: গ (৩ গুণ কমবে)
ব্যাখ্যা:
মহাকর্ষ মহাকর্ষ একটি প্রাকৃতিক ঘটনা যা দ্বারা সকল বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। এটির সংজ্ঞা হিসেবে বলা যায় যে, যেকোনো ভরের বস্তুদ্বয় একে অপরকে যে বলে আকর্ষণ করে তা হলো মহাকর্ষ। এখন এই আকর্ষণ যদি পৃথিবী ও অন্য কোন বস্তুর মাঝে হয় তাহলে তাকে বলা হবে অভিকর্ষ। প্রকৃতির চারটি মৌলিক বলের একটি হলো মহাকর্ষ । মহাকর্ষের কারণেই পৃথিবীসহ অন্যান্য গ্রহগুলি সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে। স্যার আইজাক নিউটন ১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে তার ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা গ্রন্থে এ বিষয়ে ধারণা প্রদান করেন৷ মহাকর্ষের বিশেষ উদাহরণ হলো মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ যার কারণে ভূপৃষ্ঠের উপরস্থ সকল বস্তু ভূকেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয়। মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবেই উপরিস্থিত বা ঝুলন্ত বস্তু মুক্ত হলে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়। মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবে ভরসম্পন্ন বস্তুসমূহে ওজন অনুভূত হয়। একটি বস্তুর ভর যত বেশি হয়, মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবে তার ওজনও তত বেশি বিজ্ঞানী নিউটন সর্বপ্রথম মহাকর্ষ বলের গাণিতিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন। এটি নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। আধুনিক পদার্থবিদ্যায় মহাকর্ষ সবচেয়ে সঠিকভাবে আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব (আইনস্টাইন দ্বারা প্রস্তাবিত) দ্বারা বর্ণনা করা হয়। আইনস্টাইনের মতে স্থান - কালের বক্রতার কারণেই মহাকর্ষ বল সৃষ্টি হয়।
13
স্যাটেলাইট কোন বলের কারণে ঘুরতে থাকে ?
ক অভিকর্ষজ ত্বরণ
খ আপেক্ষিক বল
গ সমান্তরাল বল
ঘ মাধ্যাকর্ষণ বল
সঠিক উত্তর: ঘ (মাধ্যাকর্ষণ বল)
ব্যাখ্যা:
মহাকর্ষ মহাকর্ষ একটি প্রাকৃতিক ঘটনা যা দ্বারা সকল বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। এটির সংজ্ঞা হিসেবে বলা যায় যে, যেকোনো ভরের বস্তুদ্বয় একে অপরকে যে বলে আকর্ষণ করে তা হলো মহাকর্ষ। এখন এই আকর্ষণ যদি পৃথিবী ও অন্য কোন বস্তুর মাঝে হয় তাহলে তাকে বলা হবে অভিকর্ষ। প্রকৃতির চারটি মৌলিক বলের একটি হলো মহাকর্ষ । মহাকর্ষের কারণেই পৃথিবীসহ অন্যান্য গ্রহগুলি সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে। স্যার আইজাক নিউটন ১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে তার ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা গ্রন্থে এ বিষয়ে ধারণা প্রদান করেন৷ মহাকর্ষের বিশেষ উদাহরণ হলো মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ যার কারণে ভূপৃষ্ঠের উপরস্থ সকল বস্তু ভূকেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয়। মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবেই উপরিস্থিত বা ঝুলন্ত বস্তু মুক্ত হলে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়। মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবে ভরসম্পন্ন বস্তুসমূহে ওজন অনুভূত হয়। একটি বস্তুর ভর যত বেশি হয়, মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবে তার ওজনও তত বেশি বিজ্ঞানী নিউটন সর্বপ্রথম মহাকর্ষ বলের গাণিতিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন। এটি নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। আধুনিক পদার্থবিদ্যায় মহাকর্ষ সবচেয়ে সঠিকভাবে আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব (আইনস্টাইন দ্বারা প্রস্তাবিত) দ্বারা বর্ণনা করা হয়। আইনস্টাইনের মতে স্থান - কালের বক্রতার কারণেই মহাকর্ষ বল সৃষ্টি হয়।
14
একক ভরের কোনো বস্তুর ওজন বিষুবীয় অঞ্চলে কত?
ক ৯.৭৯ নিউটন
খ ৯.৮১ নিউটন
গ ৯.৮৩ নিউটন
ঘ ৯.৭৮ নিউটন
সঠিক উত্তর: ঘ (৯.৭৮ নিউটন)
ব্যাখ্যা:
ওজন (দ্ব্যর্থতা নিরসন) ওজন বলতে বোঝানো হতে পারে - ওজন (ভার) - ভরের পরিমাপক; ওজোন - এক প্রকার গ্যাস (Ozone gas, O3)।
15
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কতক্ষণ সময় লাগে?
ক ৮.৩২ মিনিট
খ ৭.৯৬ মিনিট
গ ১০.৫৬ মিনিট
ঘ ৯.১২ মিনিট
সঠিক উত্তর: ক (৮.৩২ মিনিট)
ব্যাখ্যা:
সূর্য একটি নক্ষত্র । একটি বড় গরম গ্যাসের বলের মতো । এতে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস থাকে । এই গ্যাসগুলোর সংঘর্ষে তাপ ও আলো তৈরি হয় , যা আমাদের পৃথিবীতে আলো ও তাপ দেয় । সূর্য থেকে পৃথিবী প্রায় ১৫ কোটি ১৪ লাখ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত । সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড ।
0 টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)