রক্ত ও রক্ত সংবহন তন্ত্র
বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য সাধারণ বিজ্ঞান - রক্ত ও রক্ত সংবহন তন্ত্র MCQ প্রশ্নোত্তর। চাকরির প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক।
মোট 15 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 1রক্তের প্রধান উপাদান কোনটি?
ক
প্লাজমা
খ
এরিথ্রোসাইট
গ
থ্রম্বোসাইট
ঘ
লিউকোসাইট
সঠিক উত্তর:
ক (প্লাজমা)
ব্যাখ্যা:
রক্তরস হল রক্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি হালকা হলুদাভ তরল যা সাধারণত দেহের বিভিন্ন প্রকার রক্তকোষ ধারণ করে। রক্তরস বা প্লাজমা হলো রক্তের প্রধান উপাদান। রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% হলো রক্তকনিকা। রক্তররসের ৯০% হলো পানি এবং বাকি ১০% হলো বিভিন্ন জৈব ও অজৈব উপাদান। রক্তকনিকা ৩ প্রকার। যথাঃ - এরিথ্রোসাইট বা লোহিত রক্তকনিকা, - লিউকোসাইট বা শ্বেত রক্তকনিকা এবং - থ্রম্বোসাইট বা অনুচক্রিকা।
রক্ত জমাট বাঁধার জন্য কোনটির প্রয়োজন নেই ?
ক
অণুচক্রিকা
খ
হরমোন
গ
ফিব্রিনোজেন
ঘ
প্রথোম্বিণ
সঠিক উত্তর:
খ (হরমোন)
ব্যাখ্যা:
✔ রক্ত শিরা বা ধমনীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। দেহের প্রতিটি টিস্যুতে পৌঁছে দেয় খাবার ও অক্সিজেন। ✔ লোহিত রক্তকণিকার কাজ হলো দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা, হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখা এবং নিষ্কাশনের জন্য কার্বন ডাই-অক্সাইডকে টিস্যু থেকে ফুসফুসে বহন করা। অণুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা। ✔ সবুজ রঙের শাকসবজি, লেটুসপাতা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ডিমের কুসুম, সয়াবিন তেল এবং যকৃতে ভিটামিন ‘কে’ পাওয়া যায়। দেহে ‘ভিটামিন কে’ প্রথ্রোম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি করে। প্রথ্রোম্বিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। ✔ পরপর অনেকগুলি উৎসেচক ও তাদের কোফ্যাকটরের স্তরীভূত শৃঙ্খল বিক্রিয়ার দ্বারা শেষে থ্রম্বিন নামক একটি উৎসেচকের বিস্ফোরক মাত্রায় উৎপাদন ঘটলে ফাইব্রিনোজেন থেকে ফাইব্রিন জমাট তৈরি হয়ে তার মধ্যে অণুচক্রিকা ও অন্যান্য রক্তকণিকা আটকা পড়ে তঞ্চন-পিণ্ড তৈরি হয়। শরীরের মধ্যে তঞ্চনের কাজ ক্ষতস্থান থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ করা। ✔ রক্তবাহিকার অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না, কারণ সেখানে হেপারিন নামে এক পদার্থ সংবহিত হয়।
রক্ত বা ব্লাড গ্রুপ আবিস্কার করেন-
ক
জোনাস সাল্ক
খ
কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
গ
লুই পাস্তুর
ঘ
রবার্ট ব্রাউন
সঠিক উত্তর:
খ (কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার)
ব্যাখ্যা:
কার্ল লান্ডষ্টাইনার (জার্মান: Karl Landsteiner) একজন অস্ট্রীয় জীববিজ্ঞানী ও চিকিৎসক। তিনি রক্ত বা ব্লাড গ্রুপ আবিস্কার করেন।রক্ত গ্রুপ বা রক্তের ধরন (ব্লাড গ্রুপ বা ব্লাড টাইপ) সলোহিত রক্তকণিকার (আরবিসি) পৃষ্ঠে বংশগতভাবে প্রাপ্ত অ্যান্টিজেনিক পদার্থের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করে রক্তের একটি শ্রেণীবিভাগ।
কোনটি রক্তের উপাদান নয় ?
ক
লোহিত কণিকা
খ
শ্বেত কণিকা
গ
লিউকোপ্লাস্ট
ঘ
বেসোফিল
সঠিক উত্তর:
গ (লিউকোপ্লাস্ট)
ব্যাখ্যা:
লিউকোপ্লাস্ট প্লাশটিডের একটি প্রকার যার কোন রঞ্জক পদার্থ নেই। এতে সূর্যের আলো পৌছায়না। আলোর স্পর্শ পেলে ক্লোরোপ্লাস্টে পরিনত হতে পারে। খাদ্য সঞ্চয় করে রাখা এবং শর্করা থেকে শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য তৈরি করা এদের প্রধান কাজ।
কেঁচোর রক্তে হিমোগ্লোবিন থাকে-
ক
শ্বেতকণিকায়
খ
লোহিত কণিকায়
গ
রক্তরসে
ঘ
কোনোটাতেই না
সঠিক উত্তর:
গ (রক্তরসে)
ব্যাখ্যা:
কেঁচো অ্যানেলিডা পর্বের স্বাধীনজীবী প্রানি।দেহ পাতলা কিউটিকল এর আবরণ দিয়ে ঢাকা থাকে। এদের চলন অঙ্গ সিটা বা প্যারাপোডিয়া। ত্বকের সাহায্যে স্বাসকার্য চালায়। কেঁচোর রক্তরসে হিমোগ্লোবিন থাকে। এদের পৌষ্টিক নালী সম্পূর্ণ ও রক্তবহনতন্ত্র বদ্ধ ধরনের।
একটি রক্তের রিপোর্টে কোনটি বেশি থাকা ভালো ?
ক
ইউরিক এসিড
খ
হিমোগ্লোবিন
গ
শর্করা
ঘ
কোলেস্টেরল
সঠিক উত্তর:
খ (হিমোগ্লোবিন)
ব্যাখ্যা:
✔মানুষের রক্তের লোহিত কণিকায় হিমোগ্লোবিন থাকে। এর জন্যই রক্ত লাল দেখায়। ✔হিমোগ্লোবিনের কাজঃ ১।অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন করে। ২।বাফার হিসেবে কাজ করে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ হ্রাস পাওয়াকে রক্তশূণ্যতা বলে।
মানবদেহে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ার আবিষ্কারক-
ক
অ্যারিস্টটল
খ
গেলেন
গ
হার্ভে
ঘ
গ্যালিলিও
সঠিক উত্তর:
গ (হার্ভে)
মানুষের রক্তের শ্রেণীবিন্যাস করেন বিজ্ঞানী-
ক
আইজাক নিউটন
খ
কার্ল ল্যান্ড স্টেইনার
গ
টমাস আলভা এডিসন
ঘ
আলবার্ট আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
খ (কার্ল ল্যান্ড স্টেইনার)
ব্যাখ্যা:
১৯০১ সালে বিজ্ঞানী কার্ল লেন্ড স্টেইনার মানুষের রক্তের শ্রেনিবিন্যাস করে তা 'A', 'B', 'O', এবং 'AB' এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন।
কোন ধরনের রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস পাওয়া যায়?
ক
লোহিত রক্তকণিকায়
খ
অনুচক্রিকায়
গ
প্লাটিলেটে
ঘ
শ্বেত রক্তকণিকায়
সঠিক উত্তর:
ঘ (শ্বেত রক্তকণিকায়)
ব্যাখ্যা:
নির্দিষ্ট আকারহীন শ্বেত রক্তকণিকা নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
মানুষের রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি সম্পর্কে কে প্রথম ধারনা দেন?
ক
আল নাফিস
খ
উইলিয়াম হার্ভে
গ
ইবনে সিনা
ঘ
লিনিয়াস
সঠিক উত্তর:
ক (আল নাফিস)
মানবদেহে লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কতদিন ?
ক
৯০ দিন
খ
১৫০ দিন
গ
১২০ দিন
ঘ
১০০ দিন
সঠিক উত্তর:
গ (১২০ দিন)
ব্যাখ্যা:
লোহিত রক্ত কণিকা দেহের অস্থিমজ্জায় তৈরী হয়ে ১২০ দিন পরে প্লীহাতে ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। লোহিত রক্তকণিকার বৈশিষ্ট্যঃ - পরিণত লোহিত রক্তকণিকায় কোনো নিউক্লিয়াস থাকে না। - লোহিত রক্তকণিকা দেখতে অনেকটা চাকতির মতো এবং দ্বি-অবতল। - লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন থাকে। - লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা শ্বেত রক্তকণিকার তুলনায় অনেক বেশি। - লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।
মস্তিষ্কের ধমনী ছিড়ে রক্তপাত হলে তাকে বলা হয়-
ক
কার্ডিয়াক এরেস্ট
খ
হার্ট ফেইলিউর
গ
হার্ট এটাক
ঘ
স্ট্রোক
সঠিক উত্তর:
ঘ (স্ট্রোক)
রক্তের PH কত?
ক
5.55-5.65
খ
6.50-6.70
গ
7.35-7.45
ঘ
4.79-5.00
সঠিক উত্তর:
গ (7.35-7.45)
পূৰ্ণবয়স্ক মানুষের দেহে রক্তের পরিমাণ কত?
ক
৬লিটার থেকে ৬.৫ লিটার
খ
৪.৫ লিটার থেকে ৫ লিটার
গ
৫ লিটার থেকে ৬ লিটার
ঘ
৩.৫ লিটার থেকে ৪ লিটার
সঠিক উত্তর:
গ (৫ লিটার থেকে ৬ লিটার)
ব্যাখ্যা:
পূৰ্ণবয়স্ক মানুষের দেহে রক্তের পরিমাণ = ৫ লিটার থেকে ৬ লিটার।
রক্তে প্রোটিনের হার কত?
ক
৫০%
খ
88%
গ
৬৬%
ঘ
৪৬%
সঠিক উত্তর:
ক (৫০%)
ব্যাখ্যা:
রক্তে প্রোটিনের হার=৫০%
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)