প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2022-(৩য় ধাপ-৪০২১) (03-06-2022) || 2022
বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা প্রশ্নব্যাংক - প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2022-(৩য় ধাপ-৪০২১) (03-06-2022) || 2022 MCQ প্রশ্নোত্তর। চাকরির প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক।
মোট 73 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 5২০২২ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কততম জন্মদিন পালন করা হলো?
ক
১২৫
খ
১২৩
গ
১২৪
ঘ
১২৬
সঠিক উত্তর:
খ (১২৩)
ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার। তার মাত্র ২৩ বৎসরের সাহিত্যিক জীবনে সৃষ্টির যে প্রাচুর্য তা তুলনারহিত। সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি।
‘তাজা মাছ’ কোন বিশেষণ?
ক
রুপবাচক
খ
অবস্থাবাচক
গ
গুণবাচক
ঘ
অংশবাচক
সঠিক উত্তর:
খ (অবস্থাবাচক)
‘এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি- নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার’। পঙক্তিটি রচয়িতা কে?
ক
সুকান্ত ভট্টাচার্য
খ
শামসুর রাহমান
গ
জীবনানন্দ দাশ
ঘ
কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ক (সুকান্ত ভট্টাচার্য)
ব্যাখ্যা:
১৩ মে বিশ্বকে নবজাতকের জন্য বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৪৭ সালের এই দিনে কলকাতার যাদবপুর ১১৯ লাউডন স্ট্রিটের রেড এন্ড কিওর হোমে যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বহু কাব্যগ্রন্থ লিখে গেছেন।
বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রা বর্ণ কয়টি?
ক
৮
খ
৬
গ
৭
ঘ
৯
সঠিক উত্তর:
ক (৮)
ব্যাখ্যা:
মাত্রাহীন বর্ণ ১০ টি (এ, ঐ, ও, ঔ- স্বরবর্ণ ৪ টি) এবং (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁঁ- ব্যঞ্জনবর্ণ ৬ টি). ২. অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮ টি (ঋ- স্বরবর্ণ ১ টি) এবং (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ - ব্যঞ্জনবর্ণ ৭ টি)
ব্যাকরণের কাজ কী?
ক
ভালো বক্তা তৈরি করা
খ
দ্রুত পড়া ও লেখা শেখানো
গ
ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা করা
ঘ
নতুন ভাষা তৈরি করা
সঠিক উত্তর:
গ (ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা করা)
ব্যাখ্যা:
ভাষাবিজ্ঞানের পরিভাষায় ব্যাকরণ বলতে সাধারণত ভাষার কাঠামোর, বিশেষ করে শব্দ ও বাক্যের কাঠামোর, গবেষণাকে বোঝায়। এ অর্থে ব্যাকরণ হল কোন ভাষার রূপমূলতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্বের আলোচনা।
‘শুক্রবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকে’ বাক্যে ‘বিদ্যালয়’ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক
কর্মে শূন্য
খ
অধিকরণে শূন্য
গ
কর্তায় শূন্য
ঘ
অপাদানে শূন্য
সঠিক উত্তর:
ক (কর্মে শূন্য)
ব্যাখ্যা:
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্মকারক বলে। বাক্যে শুক্রবার কে কেন্দ্র করে স্কুল বন্ধ থাকছে। কাজেই স্কুল কর্মকারক এবং মূল শব্দ স্কুলের সাথে কোন বিভক্তি যোগ না হওয়ায় শূন্য বিভক্তি। সুতরাং সঠিক উত্তর কর্মে শূন্য।
He is jealous — my prosperity
ক
for
খ
with
গ
over
ঘ
of
সঠিক উত্তর:
ঘ (of)
ব্যাখ্যা:
He is envious - - - my success বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে - of. Envious of অর্থ কোন বিষয়ে ঈর্ষাপরায়ণ। he blank space in the sentence "He is jealous — my prosperity" can be filled with the preposition "of", which would make the complete sentence: "He is jealous of my prosperity." The preposition "of" is used here to indicate what the person is jealous of - in this case, the speaker's prosperity. The use of "of" after the word "jealous" is a common way to express that someone is envious or resentful of something that another person has.
What is the adjective form of the word `People’?
ক
Popularity
খ
Populous
গ
Popular
ঘ
Popularize
সঠিক উত্তর:
খ (Populous)
ব্যাখ্যা:
Adjective of the word "People" is populous. populous - Adjective যার অর্থ : জনাকীর্ণ, জনপূর্ণ, জনাকীর্ণ।
A person who was before another person refers to_________.
ক
contemporary
খ
successor
গ
predecessor
ঘ
superior
সঠিক উত্তর:
গ (predecessor)
ব্যাখ্যা:
Predecessor=পূর্বপুরুষ =ancestor, father, forefather, sire, progenitor
The study of plants________.
ক
Biology
খ
Biography
গ
Botany
ঘ
Plantation
সঠিক উত্তর:
গ (Botany)
ব্যাখ্যা:
উদ্ভিদবিদ্যা জীববিদ্যার একটি শাখা । উদ্ভিদ সম্পৰ্কীয় বিজ্ঞানই হল উদ্ভিদবিজ্ঞান বা উদ্ভিদবিদ্যা । ব্যাপক অর্থে যে বিদ্যা আমাদের সমস্ত প্রকার উদ্ভিদের আকার, গঠন, প্রকৃতি, শ্বসন, পুষ্টি, রেচন, বৃদ্ধি, জনন, বাসস্থান ইত্যাদি বিস্তারিত ভাবে জ্ঞানার্জনে সাহায্য করে তাকে উদ্ভিদবিজ্ঞান বা উদ্ভিদবিদ্যা বলে । ‘Botany’ শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘Botane’ (plant) থেকে উদ্ভব হয়েছে, যার অর্থ গাছপালা বা উদ্ভিদ । উদ্ভিদবিজ্ঞান উদ্ভিদবিদ্যার শাখা (Branches of Botany) মূল বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে উদ্ভিদবিজ্ঞানকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যথা – বিশুদ্ধ বা মৌলিক উদ্ভিদবিজ্ঞান (Pure or Basic Botany), ফলিত উদ্ভিদবিজ্ঞান (Applied Botany) এবং বিশেষ উদ্ভিদবিজ্ঞান (Special Botany) । বিশুদ্ধ উদ্ভিদবিদ্যা (Pure Botany) উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদের গঠন, প্রকৃতি, জৈবনিক প্রক্রিয়াসমূহ, জীবনবৃত্তান্ত, অভিযােজন প্রভূতি তত্ত্বগত দিক সম্পর্কে আলােচনা করা হয়, তাকে মৌলিক উদ্ভিদবিদ্যা বা বিশুদ্ধ উদ্ভিদবিদ্যা বলে । বিশুদ্ধ উদ্ভিদবিজ্ঞানের শাখাগুলি নিম্নরূপ : (অঙ্গসংস্থান ((orphology ) : এই শাখায় উদ্ভিদের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে আলােচনা করা হয়। কোশতত্ত্ব (Cytology) : এই শাখায় উদ্ভিদকোশের বিভিন্ন অংশের পরাণু গঠন, কার্যাবলি, কোশবিভাজন ইত্যাদি সম্পর্কে আলােচিত হয় । কলাতত্ত্ব (Histology) : এই শাখায় উদ্ভিদকলার আণুবীক্ষণিক গঠন ও কার্যাবলি সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । শারীরবিদ্যা (Physiology) : এই শাখায় উদ্ভিদ অঙ্গের বিভিন্ন জৈবিক ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কে আলােচনা করা হয়, যেমন — সালােকসংশ্লেষ, শ্বসন ইত্যাদি । পুষ্টিতত্ত্ব (Nutrition) : এই শাখায় উদ্ভিদের পুষ্টি সম্পর্কে আলােচিত হয় । ভ্রূণতত্ত্ব (Embryology) : এই শাখায় উদ্ভিদ ভ্রূণের উৎপত্তি, গঠন ও বিকাশ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । বংশগতিবিদ্যা (Genetics) : এই শাখায় উদ্ভিদের বংশগতি সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । বাস্তুসংস্থান (Ecology) : এই শাখায় উদ্ভিদের বাসস্থান, পরিবেশের ওপর প্রভাব এবং অন্যান্য জীবের সঙ্গে আন্তঃসম্পর্ক সম্বন্ধে আলােচনা করা হয় । ভূ – উদ্ভিদবিদ্যা (Biogeography) : এই শাখায় উদ্ভিদের ভৌগােলিক বিস্তার সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । প্রত্ন – উদ্ভিদবিদ্যা (Palaeobotany) : এই শাখায় উদ্ভিদের জীবাশ্ম সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।  উদ্ভিদ ট্যাক্সোনোমি (Phyto – taxonomy) : এই শাখায় উদ্ভিদের নামকরণ, শ্রেণিবিভাগ, শনাক্তকরণ ইত্যাদি আলােচনা করা হয় । উদ্ভিদ – রসায়নবিদ্যা (Phyto – chemistry) : এই শাখায় উদ্ভিদকোশের বিভিন্ন রাসায়নিক গঠন, বিপাক ইত্যাদি সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । উদ্ভিদ – পদার্থবিদ্যা (Phyto – physics) : এই শাখায় উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশের পারমাণবিক আকার ও গঠন সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । উদ্ভিদ – গণিতবিদ্যা (Phyto – mathematics) : এই শাখায় উদ্ভিদের নানাবিধ জৈবনিক ক্রিয়াকলাপের হার ও সম্পর্ক নির্ণয়, জন্ম – মৃত্যুর আনুপাতিক হার নির্ণয় ইত্যাদি আলােচনা করা হয় । সিস্টেমেটিক বটানি (Systematic botany) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের এই শাখায় উদ্ভিদ জগতের বিভিন্ন গােষ্ঠীর মধ্যকার নানারকম সম্পর্ক নির্ণয় সম্পর্কে আলােচনা, পর্যালােচনা ও গবেষণা করা হয় ।ফলিত উদ্ভিদ বিজ্ঞান (Applied Botany) উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় উপকারী উদ্ভিদদের সংরক্ষণ এবং ক্ষতিকর উদ্ভিদদের নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানলাভ করা হয়, তাকে ফলিত উদ্ভিদবিজ্ঞান বলে ।ফলিত উদ্ভিদ বিজ্ঞানের শাখাগুলি নিম্নরূপ : কৃষিবিজ্ঞান (Agriculture) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের এই শাখায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । উদ্ভিদ প্রজননবিদ্যা (Plant breeding) : এই শাখায় কৃত্রিম উপায়ে উদ্ভিদের প্রজনন ঘটিয়ে উন্নততর বীজ ও উদ্ভিদ সৃষ্টির প্রচেষ্টা করা হয় ।  উদ্ভিদ রােগতত্ত্ব (Plant pathology) : উদ্ভিদের বিভিন্ন রােগের কারণ, রােগলক্ষণ ও তাদের প্রতিকার সম্পর্কে আলােচনা করা এই শাখার প্রধান উদ্দেশ্য । বনবিদ্যা (Forestry) : এই শাখায় বন্য উদ্ভিদের সংরক্ষণ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । উদ্যানবিদ্যা (Horticulture) : এই শাখায় নতুন বাগান নির্মাণ এবং পুরাতন বাগান সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে আলােচনা করা হয় । ভেষজবিদ্যা (Pharmacy) : এই শাখায় ওষুধ সৃষ্টিকারী উদ্ভিদের সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতি সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । অর্থকরী উদ্ভিদবিজ্ঞান (Economic botany) : এই শাখায় বিভিন্ন ধরনের অর্থকরী উদ্ভিদদের চাষ ও উপযােগিতা সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।বিশেষ উদ্ভিদবিজ্ঞান (Special Botany) বিশেষ বিশেষ উদ্ভিদদের ওপর ভিত্তি করে উদ্ভিদবিজ্ঞানের যেসব শাখা গড়ে উঠেছে তাদের বিশেষ উদ্ভিদবিজ্ঞান বলে। বিশেষ উদ্ভিদবিজ্ঞানের শাখাগুলি নিম্নরূপ : ভাইরােলজি (Virology) : এই শাখায় বিভিন্ন রকমের ভাইরাস সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । ব্যাকটেরিওলজি (Bacteriology) : এই শাখায় বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । ফাইকোলজি (Phycology) : এই শাখায় বিভিন্ন শৈবাল সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । মাইকোলজি (Mycology) : এই শাখায় বিভিন্ন ছত্রাক সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । ব্রায়ােলজি (Bryology) : এই শাখায় বিভিন্ন মস জাতীয় উদ্ভিদ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । টেরিডােলজি (Pteridology) : এই শাখায় বিভিন্ন ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । জিমনােম্পার্ম (Gymnosperm) : এই শাখায় ব্যক্তবীজী উদ্ভিদ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় । অ্যানজিওম্পার্ম (Angiosperm) : এই শাখায় গুপ্তবীজী উদ্ভিদ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।
একটি ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। প্রতি বর্গমিটার ৯.৫০ টাকা দরে ঘরটির মেঝে কার্পেট দিয়ে ঢাকতে মোট ১৮২৪ টাকা ব্যয় হয়। ঘরটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?
ক
২৪
খ
২১
গ
২০
ঘ
২৫
সঠিক উত্তর:
ক (২৪)
ব্যাখ্যা:
আয়তাকার ঘরটির প্রস্থ = x মিটার দৈর্ঘ্য = ৩x মিটার এবং ক্ষেত্রফল = ৩x.x = ৩x² বর্গমিটার প্রশ্নমতে, ৩x² = ১৮২৪/৯.৫০ ⇒ x² = ১৮২৪/(৯.৫০ x৩) ∴ x = ৮ ∴ আয়তাকার বাগানটির দৈর্ঘ্য = ৩x = ৩ × ৮ = ২৪ মিটার
রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে-
ক
শুধু সমকোণে দ্বিখন্ডিত করে
খ
সমকোণে অসমভাবে দ্বিখন্ডিত করে
গ
শুধু সমদ্বিখন্ডিত করে
ঘ
সমকোণে সমদ্বিখন্ডিত করে
সঠিক উত্তর:
ঘ (সমকোণে সমদ্বিখন্ডিত করে)
ব্যাখ্যা:
রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে। রম্বসের বিপরীত কোণগুলো পরস্পর সমান। কর্ণদ্বয় কোণগুলোকে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
ক এর ১৫% যদি খ এর ২০% এর সমান হয় তবে ক:খ = কত?
ক
৫:৩
খ
৩:৪
গ
৫:২
ঘ
৪:৩
সঠিক উত্তর:
ঘ (৪:৩)
ব্যাখ্যা:
ক এর ১৫% = খ এর ২০% বা, ১৫ক= ২০খ বা, ৩ক=৪খ বা, ক/খ=৪/৩ সুতরাং, ক :খ=৪ : ৩।
একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ৬:৮:১০ হলে বৃহত্তম কোণের পরিমাণ কত ডিগ্রী?
ক
৫৫
খ
৭৫
গ
৪৫
ঘ
৬৫
সঠিক উত্তর:
খ (৭৫)
ব্যাখ্যা:
ধরি, তিনটি কোণ যথাক্রমে 6x, 8x, ও 10x ∴ 6x + 8x + 10x = 180 ডিগ্রি ⇒24x=180°⇒x=7.5° .'.x=7.5° ∴ বৃহত্তম কোণের পরিমাণ =10×7.5°=75°
ভাজক ৭৮, ভাগফল ২৫ এবং ভাগশেষ ভাজকের এক-তৃতীয়াংশ। ভাজ্য কত?
ক
১৯৭৮
খ
১৯৮০
গ
১৯৭৬
ঘ
১৯৭০
সঠিক উত্তর:
গ (১৯৭৬)
ব্যাখ্যা:
সমাধান দেওয়া আছে, ভাজক ৭৮ ভাগফল ২৫ ভাগশেষ হলো ভাজকের এক-তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ভাগশেষ = ৭৮ ÷ ৩ = ২৬ আমরা জানি, ভাজ্য = (ভাজক × ভাগফল) + ভাগশেষ = (৭৮ × ২৫) + ২৬ = ১৯৫০ + ২৬ = ১৯৭৬ উত্তর: ভাজ্য ১৯৭৬।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)