বাংলা ব্যকরণ

বাংলা ব্যাকরণ MCQ বিসিএস ও সরকারি পরীক্ষার জন্য। বাংলা ব্যাকরণের সকল অধ্যায় নিয়ে বিস্তারিত প্রশ্নোত্তর। — পৃষ্ঠা 2

মোট 594 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 2 / 40
16
কোনটি শুদ্ধ ?
ক সৌজন্নতা
খ সৌজনতা
গ সৌজন্য
ঘ সৌজন্যতা
সঠিক উত্তর: গ (সৌজন্য)
ব্যাখ্যা:
সৌজন্য - [বিশেষ্য পদ] ভদ্রতা, অমায়িকতা, শিষ্ট - ব্যবহার।
17
'শিষ্টাচার'- এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
ক নিষ্ঠা
খ সততা
গ সংযম
ঘ সদাচার
সঠিক উত্তর: ঘ (সদাচার)
ব্যাখ্যা:
শিষ্টাচার এর সমার্থক শব্দ সদাচার। সংযম এর সমার্থক শব্দগুলো হলো নিয়ম, নিয়ন্ত্রণ, নিগ্রহ, দমন, নিয়মন, রোধ, নিরোধ,ব্রত। শিষ্টাচার/আদব/ভদ্রতা/সৌজন্য - - যে নামেই ডাকি এটি একজন মানুষের বড় গুণ। সামাজিক জীবনে এই গুণের চর্চা অন্য প্রাণী হতে মানুষের স্বাতন্ত্র্য নির্দেশ করে। একটি দেশ কতটা সভ্য সেটির পরিমাপক হিসেবে সেই দেশের মানুষের সৌজন্যবোধ - কে বিবেচনা করা হয়। ভদ্র ব্যবহারে অন্যের হৃদয় জয় করা যায়, অনাকাঙ্ক্ষিত ঝগড়া এড়ানো যায় এবং পারিপার্শ্বিক সবার সাথে সম্পর্ক সৌহার্দপূর্ণ হয়ে উঠে।
18
'সংশয়'- এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
ক নির্ভয়
খ প্রত্যয়
গ দ্বিধা
ঘ বিস্ময়
সঠিক উত্তর: খ (প্রত্যয়)
ব্যাখ্যা:
প্রত্যয় - [বিশেষ্য পদ] নিশ্চয়তা, প্রতীতি, বিশ্বাস; (ব্যকরণ) শব্দ বা ধাতুর উত্তর জায়মান বিভক্তি; ধাতু বা প্রাতিপদিকের উত্তর যা বিহিত হয় (কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয়)
19
'ক্ষমার যোগ্য' -এর বাক্য সংকোচন ------
ক ক্ষমার্হ
খ ক্ষমা
গ ক্ষমাপ্রদ
ঘ ক্ষমাপ্রার্থী
সঠিক উত্তর: ক (ক্ষমার্হ)
ব্যাখ্যা:
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন: যার অনুরাগ দূর হয়েছে – বীতরাগ। যার পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ থাকে – জাতিস্মর। যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় — স্বয়ংবরা। যে ব্যক্তি দ্বার রক্ষার জন্য নিযুক্ত — দারোয়ান। যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পরে জন্মে – মরণোত্তরজাতক। যে আলোতে কুমুদ ফোটে – কৌমুদী। ক্ষমার যোগ্য – ক্ষমার্হ । বাঘের চামড়া – কৃত্তি।
20
বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে -------
ক শব্দ
খ পদ
গ ক্রিয়াপদ
ঘ কারক
সঠিক উত্তর: খ (পদ)
ব্যাখ্যা:
বিভক্তিযুক্ত শব্দকেই পদ বলে। পদের প্রকারভেদ : পদ প্রধানত ২ প্রকার - সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ। সব্যয় পদ আবার ৪ প্রকার - বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়া।
21
ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয় ----
ক বিভক্তি
খ প্রত্যয়
গ কৃৎ
ঘ ধাতু
সঠিক উত্তর: ঘ (ধাতু)
ব্যাখ্যা:
যা থেকে ক্রিয়াপদের জন্ম সেটাই ধাতু। যেমন, করি, একটি ক্রিয়াপদ। একে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় কর + ই। কর ক্রিয়াপদের. মূল অংশ, এটিই ধাতু। সংজ্ঞা : ক্রিয়াপদের মূল অংশকেই ধাতু বলে। অর্থাৎ ক্রিয়ার মূল অর্থ যার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় তাকেই ধাতু বলে। যেমন - ক, চল, পড়ু, এগুলাে ধাতুর উদাহরণ।
22
শুদ্ধ বাক্যটি চিহ্নিত করুন -----
ক বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রের শিকার হন
খ বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
গ বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্র্যতার শিকার হন
ঘ বিদ্যান ব্যক্তিগণ দারিদ্রতার শিকার হন
সঠিক উত্তর: খ (বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন)
ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ: শুদ্ধ বলা বা লেখা সৃজনশীল কাজ। আর এই শুদ্ধ বলা বা লেখা নির্ভর করে ব্যাকরণের ওপর। ব্যাকরণ ভাষাকে সুন্দর, মার্জিত ও শৃংখলাবদ্ধ করতে সাহায্য করে। তাই ব্যাকরণকে ভাষার সংবিধান বলে। ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের মাধ্যমেই বাংলা ভাষাকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বাংলা ভাষাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা যায়, শুদ্ধ বলে বা লেখে। ব্যাকরণজ্ঞান থাকলে ভাষার অশুদ্ধ প্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ অর্থাৎ অপপ্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। ভাষা অপপ্রয়োগের ক্ষেত্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাষার অপপ্রয়োগ হতে পারে। যেমন: ১. শব্দ রূপান্তজাত অপপ্রয়োগ: দৈন্যতা, মাধুর্যতা, সমসাময়িক, উদ্ধেলিত, চোখের দৃষ্টিশক্তি, মাতাহারা। ২. শব্দদ্বিত্ব অপপ্রয়োগ : শুধু/কেমলমাত্র, অশ্রুজল, ঘামজল, ভুলত্রুটি, ভুলভ্রান্তি। ৩. সংখ্যাজাত অপপ্রয়োগ : ১ জুলাই/১লা জুলাই। ৪. বচনজাত অপপ্রয়োগ : বড় বড় মানুষরা সব, সকল/সমস্ত /সব যুদ্ধাপরাধীদের। ৫. নির্দেশকজাত অপপ্রয়োগ : এই লোকটি। ৬. সন্ধিজাত অপপ্রয়োগ : লজ্জাস্কর, ইতিমধ্যে, উল্লেখিত, দুরাবস্থা। ৭. সমাসজাত অপপ্রয়োগ : দেশ ও বিদেশে। ৮. উপসর্গজাত অপপ্রয়োগ : সুস্বাগতম, অক্লান্তি হীনভাবে, উপ - পরিচালক। ৯. বিভক্তিজাত অপপ্রয়োগ : আমাদেরকে, তাদেরকে, নারীদেরকে, বাড়িতে। ১০. প্রত্যয়জাত অপপ্রয়োগ : দৈন্যতা, দারিদ্রতা। ১১. চিহ্নজাত অপপ্রয়োগ : সুন্দরী বালিকা, আসমা অস্থিরা, অভাগিনী, কাঙালিনী। ১২. পক্ষজাত অপপ্রয়োগ : আমি অর্থাৎ হাসান জেনে শুনে ভুল করি না। ১৩. কারকজাত অপপ্রয়োগ : ছুরিতে, আমের কাননে। ১৪. বিসর্গজাত অপপ্রয়োগ : পুন:প্রচার। ১৫. সমোচ্চারিত অপপ্রয়োগ : তাড়া আমরাতলায় বসে আমরা খাওয়ার সময় মালির তারা খেয়েছে। ১৬. বাক্যজাত অপপ্রয়োগ : আমি স্বচক্ষে/নিজের চোখে। ১৭. বাচ্যজাত অপপ্রয়োগ : সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়। ১৮. এককথায় প্রকাশ অপপ্রয়োগ : চারিদিকে প্রদক্ষিণ, হাতে কলমে ব্যবহারিক শিক্ষা। ১৯. প্রবাদ অপপ্রয়োগ : স্বল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। ২০. বাগধারা অপপ্রয়োগ : পাকা ধানে আগুন দেয়া। ২১. বানান ও উচ্চারণ অপপ্রয়োগ : প্রাণীজগৎ, কীভাবে, পৃথিবীব্যাপী, স্ত্রীবাচক, শশীভূষণ, মন্ত্রীসভা, স্বামীগৃহ, গুণীজন, নদীতীর, নদীমাতৃক, বৈশাখীমেলা, আগামীকাল। সমাসবদ্ধ শব্দের বানান লেখা হয় ঈ - কার দিয়ে। ব্যাকরণ নিয়ম অনুসারে ঈ - কার হয়ে যায় ই - কার। ঊ - কার হয়ে যায় উ - কার। ণ - হয়ে যায় ন। য - ফলা থাকে না। যেমন: ঘরনি, কানাই/কানু, বোশেখি, সুয্যি, সোনা, সন্ধে ইত্যাদি। প্রাদেশিক ও বিদেশি শব্দ হলে /ছ/য/ণ/ষ/ঞ্জ/ঞ্চ/ ঈ - কার/উ - কার বসে না তবুও ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন: লুংগি, ডেংগু, ঠান্ডা, ঝান্ডা, লন্ঠন, মিসরি, পসন্দ, নামাজ, ওজু, ইস্টার্ন, স্টোর, ইনজিন, ইনজিনিয়ার, সেনচুরি, তির (ধনুক অর্থে, পাড় অর্থে নয়), অ্যাকাডেমি/এ্যাকাডেমি/একাডেমি, রসুল, নুর ইত্যাদি। সংস্কৃতশব্দে য - ফলা চল আছে কিন্তু ইংরেজি শব্দে নাই তবু লেখা হচ্ছে। যেমন: ইস্যু, টিস্যু, গ্যেটে, স্যার। ইংরেজি শব্দকে তদ্ভব করে লেখা হচ্ছে। যেমন: হসপিটাল>হাসাপাতাল, চকোলেট>চকলেট। শব্দের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ সংস্কৃত সহিত থেকে ‘সঙ্গে বা সাথে’র উৎপত্তি। নিয়ম আছে গদ্যে ‘সঙ্গে’ আর পদ্যে ‘সাথে’ ব্যবহার করতে হবে তবে এখন সর্বত্রই ‘সঙ্গে’ ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার বিশেষণ সাধারণত পদক্রম অনুসারে বিশেষ্যের আগে বসে। যেমন: খাঁটি গরুর দুধ। ‘কী খাঁটি’ প্রশ্ন করলে পাওয়া যায় গরুর দুধ (সংস্কৃত গোদুগ্ধ)। অনেকেই বর্তমানে এই বাক্যকে ভুল মনে করে শুদ্ধ করে লেখেন গরুর খাঁটি দুধ। ইংরেজিতে লেখা হয় Fresh/Pure Milk অর্থাৎ খাঁটি দুধ। লেখা হয় না Fresh /Pure Cow Milk। সাধারণত গরুর দুধই বিক্রি হয় অন্য দুধ নয়। তাই গরুর খাঁটি লেখার প্রয়োজন হয় না। খাঁটি দুধ—লেখলেই হয়। বিভিন্নভাবে বাক্য অুশুদ্ধ হতে পারে।
23
কোন শব্দে বিদেশী উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
ক নিখুঁত
খ অবহেলা
গ নিমরাজী
ঘ আনমনা
সঠিক উত্তর: গ (নিমরাজী)
ব্যাখ্যা:
ফারসি উপসর্গ মনে রাখার সহজ উপায়: "না" "ফি" ‘র "বর" "বদ" মায়েশ। "বে" আদব, "কম" ‘জোর, ও "ব" কলম। কিন্তু "কার" ‘বার ও "দর" দালানে তিনি "নিম"রাজি। দ্রষ্টব্য শুধুমাত্র ".." এর মধ্যে যা দেওয়া আছে, ওটাই উপসর্গ। আন - বাংলা উপসর্গ অব - সংস্কৃত উপসর্গ
24
নিম্নরেখ কোন শব্দে করণ কারকে শূন্য বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে?
ক ঘোড়াকে "চাবুক" মার
খ গাড়ি 'স্টেশন" ছেড়েছে
গ "মুষলধারে" বৃষ্টি পড়ছে
ঘ "ডাক্তার" ডাক
সঠিক উত্তর: ক (ঘোড়াকে "চাবুক" মার)
ব্যাখ্যা:
'করণ' শব্দের অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কিসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা - ই করণ কারক। যেমন - নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ - কলম) 'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়।' (উপায় - সাধনা)
25
এক কথায় প্রকাশ করুন ----'যা বলা হয়নি'
ক অউক্ত
খ অনুক্ত
গ অব্যাক্ত
ঘ অব্যক্ত
সঠিক উত্তর: খ (অনুক্ত)
ব্যাখ্যা:
অনুক্ত. অনুক্ত বিণ. বলা হয়নি এমন, অকথিত; ঊহ্য। [সং. ন (অন্) + উক্ত]। অনুক্ত a unspoken, untold, unuttered, unpronounced; not mentioned; not ex pressed, understood.
26
কোন শব্দে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?
ক ঠগী
খ পাঠক
গ সেলামী
ঘ পানাস
সঠিক উত্তর: খ (পাঠক)
ব্যাখ্যা:
প্রত্যয়: শব্দ গঠনের উদ্দেশ্যে শব্দ বা নাম প্রকৃতির এবং ক্রিয়া প্রকৃতির পরে যে শব্দাংশ যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে। কয়েকটি শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করে দেখানো হলো : নাম প্রকৃতি প্রত্যয় প্রত্যয়ান্ত শব্দ হাত + ল = হাতল ফুল + এল = ফুলেল মুখ + র = মুখর ক্রিয়া প্রকৃতি প্রত্যয় প্রত্যয়ান্ত শব্দ চল্ + অন্ত = চলন্ত জম্ + আ = জমা বাংলা শব্দ গঠনে দুই প্রকার প্রত্যয় পাওয়া যায়। যেমন : তদ্ধিত প্রত্যয় ও কৃৎপ্রত্যয়। তদ্ধিত প্রত্যয়: শব্দমূল বা নাম শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে তদ্ধিত প্রত্যয়। যেমন : হাতল, ফুলেল ও মুখর শব্দের যথাক্রমে ল, এল ও র তদ্ধিত প্রত্যয়। কৃৎপ্রত্যয়: ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে কৃৎপ্রত্যয়। যেমন : চলন্ত, জমা ও লিখিত শব্দের যথাক্রমে অন্ত, আ ও ইত কৃৎপ্রত্যয়। তদ্ধিতান্ত শব্দ: তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দকে বলা হয় তদ্ধিতান্ত শব্দ। যেমন : হাতল, ফুলেল ও মুখর। কৃদন্ত শব্দ: কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দকে বলা হয় কৃদন্ত শব্দ। যেমন : চলন্ত, জমা ও লিখিত।
27
বাগধারা যুগলদের মধ্যে কোন জোড়া সর্বাধিক সমার্থবাচক?
ক অমাবস্যার চাঁদ; আকাশ কুসুম
খ রুই-কাতলা; কেউ কেটা
গ বক ধার্মিক; ভিজে বেড়াল
ঘ বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী
সঠিক উত্তর: ঘ (বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী)
ব্যাখ্যা:
বকধার্মিক এবং বিড়াল তপস্বী অর্থ ভন্ড
28
উপকারীর অপকার করেন যিনি-
ক নিমকহারাম
খ কৃতঘ্ন
গ অকৃতজ্ঞ
ঘ বেইমান
সঠিক উত্তর: খ (কৃতঘ্ন)
ব্যাখ্যা:
কৃতঘ্ন - [বিশেষণ পদ] যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না বা তাহার অপকার করে, নিমকহারাম, অকৃতজ্ঞ। [বিশেষ্য পদ] কৃতঘ্নতা।
29
"সংশয়" শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
ক বিস্ময়
খ দ্বিধা
গ প্রত্যয়
ঘ নির্ভয়
সঠিক উত্তর: গ (প্রত্যয়)
ব্যাখ্যা:
প্রত্যয় - [বিশেষ্য পদ] নিশ্চয়তা, প্রতীতি, বিশ্বাস; (ব্যকরণ) শব্দ বা ধাতুর উত্তর জায়মান বিভক্তি; ধাতু বা প্রাতিপদিকের উত্তর যা বিহিত হয় (কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয়)।
30
বাংলাভাষায় খাঁটি উপসর্গ কয়টি?
ক ১৯টি
খ ২১টি
গ ২২টি
ঘ ২০টি
সঠিক উত্তর: খ (২১টি)
ব্যাখ্যা:
বাংলা উপসর্গ :বাংলা ভাষায় বাংলা উপসর্গ মোট ২১ টি। বাংলা উপসর্গ সবসময় খাঁটি বাংলা শব্দ বা তদ্ভব শব্দের পূর্বে ব্যবহৃত হয়। বাংলা উপসর্গগুলো হলো - অ অঘা অজ অনা আ আড় আন আব ইতি ঊন (ঊনা) কদ কু নি পাতি বি ভর রাম স সা সু হা সংস্কৃত / তৎসম উপসর্গ ২০ টি
0 টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)