পদার্থের অবস্থা ও পরিবর্তন
বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য সাধারণ বিজ্ঞান - পদার্থের অবস্থা ও পরিবর্তন MCQ প্রশ্নোত্তর। চাকরির প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক।
মোট 151 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 11নিচের কোনটি উর্ধ্বপাতিত বস্তু নয়?
ক
কর্পূর
খ
আয়োডিন
গ
অ্যামোনিয়া
ঘ
কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ (অ্যামোনিয়া)
আদর্শ চাপে পানির স্ফুটনাংক কত ?
ক
১০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
খ
১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
গ
১০০ ডিগ্রি কেল্ভিন
ঘ
১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ (১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস)
বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বললে কোন ধরনের পরিবর্তন হয় ?
ক
ভৌত
খ
রায়ায়নিক
গ
উভয়ই
ঘ
কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক (ভৌত)
দুধকে ছানায় পরিণত করা -এটি বস্তুর কোন ধরনের পরিবর্তন?
ক
ভৌত পরিবর্তন
খ
রাসায়নিক পরিবর্তন
গ
কোনোটিই নয়
ঘ
দুটোই
সঠিক উত্তর:
খ (রাসায়নিক পরিবর্তন)
ব্যাখ্যা:
যে পরিবর্তনের ফলে এক বা একাধিক বস্তু প্রত্যেকে নিজের সত্ত্বা হারিয়ে এক নতুন ধর্ম বিশিষ্ট এক বা একাধিক বস্তুতে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে ।যেমন - লোহার উপর মরিচা পড়া ,দুধ থেকে দই ইত্যাদি ।
স্বাভাবিক বায়ুমন্ডলীয় চাপে বরফের গলনাঙ্ক কত ?
ক
১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
খ
৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস
গ
০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
ঘ
২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
গ (০ ডিগ্রি সেলসিয়াস)
ব্যাখ্যা:
তাপ প্রয়োগে কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হওয়াকে গলন বলে।কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে প্রথমে তার উষ্ণতা বাড়তে থাকে।একটি নির্দিষ্ট উষ্ণতায় গলতে শুরু করে। এ নির্দিষ্ট উষ্ণতাকে গলনাঙ্ক বলে ।
কঠিন পদার্থের উদাহরণ কোনটি ?
ক
পেট্রোল
খ
অক্সিজেন
গ
মিথেন
ঘ
বালু
সঠিক উত্তর:
ঘ (বালু)
ব্যাখ্যা:
যেসব পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ,আয়তন এবং দৃঢতা আছে তাদের কঠিন পদার্থ বলে।যেমন-বালু,পাথর,লবন ইত্যাদি।
স্বাভাবিক বায়ুমন্ডলীয় চাপে পানির ফুটনাংক কত ?
ক
৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
খ
৬০ডিগ্রি সেলসিয়াস
গ
১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
ঘ
২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
গ (১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস)
ব্যাখ্যা:
একটি নির্দিষ্ট উষ্ণতায় তরল পদার্থ ফুটতে শুরু করে এবং বাষ্পে পরিনত হতে থাকে।যতক্ষন পর্যন্ত সম্পূর্ন তরল বাষ্পে পরিনত না হয় ততক্ষন ঐ উষ্ণতা স্থির থাকে।ঐ নির্দিষ্ট উষ্ণতাকে তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে।
তাপ প্রয়োগে কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হওয়াকে কি বলা হয়?
ক
ফুটন
খ
গলন
গ
উর্ধ্বপাতন
ঘ
বাষ্পীয়
সঠিক উত্তর:
খ (গলন)
ব্যাখ্যা:
তাপ প্রয়োগে কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হওয়াকে গলন বলে।কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে প্রথমে তার উষ্ণতা বাড়তে থাকে।একটি নির্দিষ্ট উষ্ণতায় গলতে শুরু করে। এ নির্দিষ্ট উষ্ণতাকে গলনাঙ্ক বলে।
পদার্থ সাধারণত কয়টি অবস্থায় থাকতে পারে ?
ক
৩
খ
৪
গ
৫
ঘ
৭
সঠিক উত্তর:
ক (৩)
ব্যাখ্যা:
পদার্থের অবস্থা ৩ টি।যথা- ১।কঠিনঃনির্দিষ্ট আয়তন ও আকার এবং দৃঢতা আছে। ২।তরলঃনির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার নেই । ৩।বায়বীয়ঃনির্দিষ্ট আয়তন ও আকার নেই।
কোনটি উর্ধ্বপাতিত হয় না-
ক
বেনজোয়িক এসিড
খ
নিশাদল
গ
বেনজিন
ঘ
আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
গ (বেনজিন)
ব্যাখ্যা:
কোনো কোনো ক্ষেত্রে কঠিন পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয়। এ প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়। যেমন- কর্পুর, গন্ধক, আয়োডিন, ন্যাপথালিন, নিশাদল, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, কার্বন ডাই অক্সাইড, আর্সেনিক, বেনজয়িক এসিড ইত্যাদি। কিন্তু বেনজিন উর্ধ্বপাতিত পদার্থ নয়।
নবায়নযোগ্য শক্তি উৎসের একটি উদাহরণ হলো-----
ক
পারমাণবিক জ্বালানি
খ
ফুয়েল সেল
গ
সূর্য
ঘ
পীট কয়লা
সঠিক উত্তর:
গ (সূর্য)
ব্যাখ্যা:
সূর্য থেকে প্রতিনিয়ত যে পরিমাণ শক্তি পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় তা সূর্যের উৎপন্ন শক্তির দুই শত কোটি ভাগের এক ভাগ মাত্র। এই সৌরশক্তির অফুরন্ত ভাণ্ডার আমাদের প্রতিদিনের নানারকম কাজের চাহিদা মেটায়। বর্তমানে সৌরশক্তিকে ব্যবহার করে বাষ্প উৎপাদনের মাধ্যমে টারবাইন ও জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এ ছাড়া রান্নার কাজে সৌরচুল্লি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই সৌরশক্তি বারবার ব্যবহার করা যাবে। কখনোই শেষ হবে না। তাই সৌর শক্তিকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলা হয়। পৃথিবীতে প্রায় 99.97% শক্তির উৎস হলো সুর্য। সুর্যই সকল শক্তির মুল উৎস।
প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ--------
ক
রান্নার জন্য তাপ নয় চাপও কাজে লাগে
খ
উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
গ
সঞ্চিত বাষ্পের তাপ রান্নায় সহায়ক
ঘ
বদ্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয়
সঠিক উত্তর:
খ (উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়)
ব্যাখ্যা:
তরলের স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধিপায় আর চাপ কমলে তরলের স্ফুটনাংক হ্রাস পায়। যেজন্য পাহাড়ে বা উঁচু কোন জায়গায় রান্না করার সময় মাছ মাংস সহজে সিদ্ধ হয়না। কিন্তু প্রেসার কুকারে আবদ্ধ অবস্থায় তরলের চাপ বাড়ানো হয় ফলে মাছ মাংস সহজে সিদ্ধ হয়। উল্লেখ্য ঃঃঃপাহাড়ে তরলের স্ফুটনাংক হ্রাস পেয়ে ৭০ ডিগ্রি আর প্রেসার কুকারে বৃদ্ধি েপেয়ে ১২০ ডিগ্রি হয়।
সৌরশক্তি হচ্ছে-
ক
যান্ত্রিক শক্তি
খ
রাসায়নিক শক্তি
গ
আণবিক শক্তি
ঘ
নবায়নযোগ্য শক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ (নবায়নযোগ্য শক্তি)
ব্যাখ্যা:
সৌরশক্তি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। সৌরশক্তিকে আজকাল নবায়নযোগ্য শক্তি বিপুল শক্তি বহন করে আনে। এ শক্তিকে ধরে রাখার জন্য উদ্ভাবিত হয়েছে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি। যেমন - সৌরকোষ ।
নিম্নের কোন বর্ণটির শক্তি সবচেয়ে বেশী ?
ক
লাল
খ
সবুজ
গ
বেগুনী
ঘ
নীল
সঠিক উত্তর:
গ (বেগুনী)
ব্যাখ্যা:
বেগুনী বেগুনী হল নীলা, ল্যাভেন্ডার আর বিউটিবেরিসের বর্ণ। এর নাম করা হয়েছে বেগুনী ফুলের নাম অনুযায়ী। বেগুনী দৃশ্যমান বর্ণালীর সর্বশেষ বর্ণ যা নীল এবং অদৃশ্য অতিবেগুনীর মাঝামাঝি অবস্থান করে। এর প্রাধান্যপূর্ণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য হল ৩৮০ - ৪৫০ ন্যানোমিটার (কিছু নির্দিষ্ট অবস্থায় রক্তবর্নেরও ৩১০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দেখা যায়)। যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেগুনী অপেক্ষা ছোট কিন্তু রঞ্জনরশ্মি এবং গামারশ্মি অপেক্ষা বড় তাকে অতিবেগুনী বলে। ইতিহাসে চিত্রকরেরা যে বর্ণচাকতি ব্যবহার করত, বেগুনী তাতে নীল এবং রক্তবর্ণের মাঝামাঝি ছিল। কম্পিউটারের মনিটর এবং টেলিভিশন সেটে যা বেগুনীর মত দেখতে, তা আরজিবি বর্ণ মডেল দ্বারা নির্মিত, যা লাল এবং নীলের সমন্বয়ে তৈরি হয়। এখানে নীল লালের দ্বিগুণ উজ্জ্বল থাকে। কিন্তু এটি সত্যিকার বেগুনী হয়না, এটি কেবল নীলের চেয়ে ছোট একটি তরঙ্গদৈর্ঘ্য এর বদলে কয়েকটি উচ্চ তরঙ্গদৈর্ঘ্য এর যোগফল হয়। বেগুনী এবং রক্তবর্ণ প্রায় একই দেখা যায়, কিন্তু বেগুনী সত্যিকার অর্থে একটি রঙ, যার দৃশ্যমান বর্ণালীতে একটি নির্দিষ্ট অবস্থান আছে। আর রক্তবর্ণ একটি সংযুক্ত বর্ণ, যা নীল এবং লাল বর্ণের যোগফল। ইতিহাসে বেগুনী আর রক্তবর্ণ আভিজাত্য এবং মর্যাদার প্রতীক হয়ে ছিল। রোমের সম্রাটরা রক্তবর্ণের আলখেল্লা পরিধান করতেন, যা বাইজেন্থাইন সম্রাটরাও পরতেন। মধ্যযুগে বিশপ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসররা বেগুনী বস্ত্র পরিধান করতেন। এবং বিভিন্ন চিত্রকর্মে কুমারী মেরির পোশাকের রঙ বেগুনী দেখানো হয়েছে। ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্র এ কিছু জরিপ থেকে জানা যায় যে বেগুনীকে অনেকেই অপব্যয়, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, রীতিবিরুদ্ধ, কৃত্রিম এবং অস্পষ্টতার বর্ণ বলে মনে করে। চীনা চিত্রকর্মএ বেগুনী মহাবিশ্ব এর সাদৃশ্যের চিত্র বহন করে, কারণ এটি লাল এবং নীলের সমন্বয়ে সৃষ্ট। হিন্দুধর্ম এবং বৌদ্ধধর্মে বেগুনী মুকুট চক্রে শোভা পেয়েছে।
নিম্নের কোন পদার্থটির স্তিতিস্থাপকতা বেশী ?
ক
ররার
খ
তামা
গ
ইস্পাত
ঘ
লোহা
সঠিক উত্তর:
গ (ইস্পাত)
ব্যাখ্যা:
লোহা লোহা খনিজ পদার্থ। এটি আকরিক থেকে পাওয়া যায়। লোহার রাসায়নিক সংকেত Fe, পারমাণবিক সংখ্যা 26। পারমাণবিক ভর 55.85, যোজ্যতা 2 এবং 3, ঘনত্ব 7.85 গ্রাম/সিসি, গলনাঙ্ক 1530 °C, স্ফুটনাঙ্ক 2450 °C। লোহার প্রধান আকরিকগুলি হলো ম্যাগনেটাইট (Magnetite) Fe3O4, রেড হেমাটাইট (Red Haematite) Fe2O3, আয়রন পাইরাইটিস (Iron Pyrites) FeS2 সিডারাইট (Siderite) FeCO3। লোহাকে প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে প্রচুর লোহার আকরিক পাওয়া যায়। ভূ - ত্বকে লোহার পরিমাণ 4.12 শতাংশ।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)